৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২১
ইসলামের রুকনসমূহ ও তার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, পাঁচটি বিষয়ের উপর ইসলামের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, আর মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রসূল- এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা, সালাত কায়েম করা, যাকাত দেওয়া, বাইতুল্লাহর হজ্জ করা ও রমজানের সিয়াম পালন করা।
২২
ইসলামের রুকনসমূহ ও তার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
তাউস (রহঃ)
এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলো, আপনি জিহাদে অংশগ্রহণ করেন না কেন? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত- এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, রমজানের সাওম পালন করা ও বাইতুল্লাহর হজ্জ করা।
২৩
আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীনের অনুশাসনের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেয়া এবং তার প্রতি মানুষকে আহবান করা, দ্বীন সম্বন্ধে (জানার জন্য) প্রশ্ন করা ও তা সংরক্ষণ করা আর যার কাছে দ্বীন পৌঁছায়নি তার নিকট দ্বীনের দা’ওয়াত পেশ করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আবদুল কায়স-এর (গোত্রের) একটি ওফদ (প্রতিনিধি দল) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরজ করলো, “হে আল্লাহর রসূল! আমরা রাবিয়া গোত্রের লোক। আমাদের এবং আপনার মধ্যে কাফির মুযার গোত্র বিদ্যমান। আমরা শাহরুল হারাম ব্যতীত আপনার নিকট নিরাপদে পৌঁছাতে পারি না। কাজেই আপনি আমাদের এমন কিছু শিক্ষা দিন আমরা যে সবের উপর আমল করতে পারি এবং আমাদের অন্যান্যদের তৎপ্রতি আহবান জানাতে পারি।”রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তোমাদের আমি চারটি বিষয় পালনের আদেশ করছি এবং চারটি বিষয়ে নিষেধ করছি।” তারপর তাদের এ সম্বন্ধে বর্ণনা দিলেন এবং বললেন, “আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রসূল—এ কথার সাক্ষ্য দেয়া, সালাত কায়েম করা, যাকাত দেয়া এবং তোমাদের গনীমাতলব্ধ সামগ্রীর এক পঞ্চমাংশ আদায় করা। আর আমি তোমাদের নিষেধ করছি দুব্বা, হানতাম, নাকীর, মুকাইয়্যার থেকে।” খালাফ তাঁর বর্ণনায় আরও উল্লেখ করছেন, ‘আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই’ বলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি অঙ্গুলি (সংকেতসূচক) বন্ধ করেন।
২৪
আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীনের অনুশাসনের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেয়া এবং তার প্রতি মানুষকে আহবান করা, দ্বীন সম্বন্ধে (জানার জন্য) প্রশ্ন করা ও তা সংরক্ষণ করা আর যার কাছে দ্বীন পৌঁছায়নি তার নিকট দ্বীনের দা’ওয়াত পেশ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ জামরাহ্‌ (নাস্‌র ইবনু ‘ইমরান)
আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সম্মুখে তাঁর ও ভিনদেশী লোকদের মধ্যে দোভাষীর কাজ করতাম। একদা জনৈক মহিলা এসে তাঁকে মাটির কলসির মধ্যে নাবীয প্রস্তুত করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তিনি বললেন, আবদুল কায়সের প্রতিনিধি দল রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আসলো। রসূলুল্লাহ (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেনঃ কাদের এ প্রতিনিধি দল? অথবা তিনি বললেন, কোন গোত্রের লোক? তারা বললো, রাবীআহ গোত্রের। তিনি বললেন, ঐ গোত্রের অথবা বললেন, প্রতিনিধি দলের আগমন শুভ হোক। তাদের লজ্জিত হওয়ার ও অপমানিত হওয়ারও কোন কারণ নেই (তারা ইতিপূর্বে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছে)। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, এরপর তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা দূর-দূরান্ত থেকে সফর করে আপনার কাছে এসেছি। আমাদের ও আপনার মাঝখানে কাফির মুযারা গোত্র বাস করে। তাই আমরা মাহে-হারাম (সম্মানিত মাস) ছাড়া অন্য সময় আপনার কাছে আসতে পারি না। আপনি আমাদেরকে সুস্পষ্টভাবে কোন কাজের কথা বলে দিন যেন আমরা তা আমাদের পশ্চাতের অন্যান্য লোকদের জানিয়ে দিতে পারি এবং সে অনুযায়ী আমল করে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন তাদের চারটি বিষয় পালনের নির্দেশ দিলেন এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করলেন। এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা জান এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা কী? তারা আরয করলো, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (ﷺ) এ বিষয়ে ভালো জানেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রসূল আর তোমরা সালাত কায়েম করবে, যাকাত দিবে, রমজানের সিয়াম পালন করবে এবং গনীমাতলব্ধ সামগ্রীর এক পঞ্চমাংশ দান করবে। তিনি তাদের চারটি বিষয়ে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। তা হচ্ছে দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত। চতুর্থটি সম্বন্ধে শু'বাহ বলেন, এরপর রাবী কখনো নাকীর কখনো বা মুকাইয়্যার শব্দ উল্লেখ করেছেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এসব বিধান হেফাজত করবে এবং যারা আসেনি তাদের তা জানিয়ে দিবে। আবূ বকর (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে مَنْ وَرَاءَكُمْ (যারা আসেনি) কথাটি রয়েছে কিন্তু الْمُقَيَّرِ শব্দটি নেই।
২৫
আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীনের অনুশাসনের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেয়া এবং তার প্রতি মানুষকে আহবান করা, দ্বীন সম্বন্ধে (জানার জন্য) প্রশ্ন করা ও তা সংরক্ষণ করা আর যার কাছে দ্বীন পৌঁছায়নি তার নিকট দ্বীনের দা’ওয়াত পেশ করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
শুবাহার বর্ণনার অনুরূপ রিওয়ায়াত বর্ণনা করেছেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, “আমি তোমাদের দুব্বা, নাকীর, হানতাম ও মুযাফফত নামক নাবীজ তৈরির পাত্রের ব্যবহার নিষেধ করছি।” ইবনু মু’আয (রাঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতে আরো উল্লেখ করেন যে, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) ‘আবদুল কায়স গোত্রের আশাজ্জ (ক্ষতবিশিষ্ট দলপতি)-কে বললেন, “তোমাদের দুটো বিশেষ গুণ রয়েছে, যা আল্লাহ পছন্দ করেন – ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা।”
২৬
আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীনের অনুশাসনের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেয়া এবং তার প্রতি মানুষকে আহবান করা, দ্বীন সম্বন্ধে (জানার জন্য) প্রশ্ন করা ও তা সংরক্ষণ করা আর যার কাছে দ্বীন পৌঁছায়নি তার নিকট দ্বীনের দা’ওয়াত পেশ করা পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্ (রহঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাৎকারী এক ব্যক্তি আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন। (বর্ণনাকারী) সাঈদ বলেছেন, কাতাদাহ আবু নাযরা-র নাম উল্লেখ করেছেন। তিনি আবু সাঈদ আল খুদরি (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল কায়স গোত্রের ক’জন লোক রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর নবী! আমরা রাবিয়াহ গোত্রের লোক। আমাদের ও আপনার মাঝখানে কাফির মুযার গোত্রের অবস্থান। তাই আমরা মাহে হারাম ব্যতীত অন্য কোনো সময় আপনার কাছে আসতে পারি না। কাজেই আপনি আমাদেরকে এমন কিছু কাজের নির্দেশ দিন, যা করার জন্য আমরা আমাদের পশ্চাতের অন্যান্য লোকদেরকে হুকুম করবো এবং আমরা নিজেরাও তা বাস্তবায়ন করবো যাতে এর মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি কাজের হুকুম করবো, আর চারটি জিনিস থেকে নিষেধ করব। তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরীক করো না, সালাত কায়েম করো, যাকাত দাও এবং রমজানের সাওম পালন কর। আর গনীমাতের সম্পদ থেকে এক পঞ্চমাংশ দান কর এবং তোমাদেরকে চারটি জিনিস (ব্যবহারে) নিষেধ করবোঃ কদুর শুকনো খোল, সবুজ রং লাগানো কলসী, আলকাতরা লাগানো হাঁড়ি-পাতিল ও কাষ্ঠ পাত্র ব্যবহার করতে।তারা বলল, হে আল্লাহর নবী! ‘নাকীর’ (কাষ্ঠ পাত্র) সম্বন্ধে আপনি কতটুকু অবগত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। খেজুর গাছের কাণ্ড যা তোমরা খোদাই করে নাও, পরে এর মধ্যে খেজুরের টুকরাগুলো নিক্ষেপ করো, (অর্থাৎ খেজুরের মধ্যে পানি ঢেলে তা দ্বারা ‘নাবীয’ অথবা ‘মদ’ প্রস্তুত করে থাকো)। সাঈদ বলেন, অথবা তিনি (নবী (ﷺ)) বলেছেন, খেজুরের টুকরা নিক্ষেপ করো, পরে তম্মধ্যে কিছু পানি ঢেলে দাও। অবশেষে যখন তার ফেনা থেমে যায় (অর্থাৎ তা মদে পরিণত হয়) তখন তোমরা পান করো। ফলে তোমাদের কেউ অথবা তাদের কেউ মদের নেশায় হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে আপন চাচাত ভাইকে তরবারি দিয়ে হত্যা করে। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, উক্ত প্রতিনিধি দলের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিল যার শরীরের মধ্যে ছিল ক্ষতের চিহ্ন।সে বলল, লজ্জাবশত আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে আমার ক্ষত চিহ্নটি লুকিয়ে রাখলাম এবং বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তা হলে আমরা পানীয় বস্তু কিসে পান করবো? তিনি বললেন, চামড়ার থলি বা মশকের মধ্যে যার মুখ রশি দ্বারা বেঁধে দেয়া হয়। তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের এলাকায় ইঁদুরের উপদ্রব খুব বেশি, ফলে চামড়ার থলি একটিও নিরাপদে থাকে না। নবী (ﷺ) বললেনঃ যদিও তা ইঁদুর খেয়ে ফেলে, যদিও তা ইঁদুর খেয়ে ফেলে, যদিও তা ইঁদুর খেয়ে ফেলে। অতঃপর নবী (ﷺ) আবদুল কায়স গোত্রের ক্ষত চিহ্নওয়ালা লোকটির উদ্দেশ্যে বললেন, অবশ্য তোমার মধ্যে এমন দুটি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান যা আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়— সহিষ্ণুতা ও ধীরতা-নম্রতা।
২৭
আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীনের অনুশাসনের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেয়া এবং তার প্রতি মানুষকে আহবান করা, দ্বীন সম্বন্ধে (জানার জন্য) প্রশ্ন করা ও তা সংরক্ষণ করা আর যার কাছে দ্বীন পৌঁছায়নি তার নিকট দ্বীনের দা’ওয়াত পেশ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
(আবদুল কায়স-এর) প্রতিনিধি দলের সাথে যাদের সাক্ষাৎ হয়েছিল তাদের একাধিক ব্যক্তি আমাকে বলেছেন। আবু নাযরাহ আবু সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধিগণ যখন রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আসলো। হাদীসটির বাকী অংশ ইবন উলাইয়্যার বর্ণনার অনুরূপ। তবে তাতে উল্লেখ আছে যে, তোমরা এক (কাষ্ঠ পাত্রের) মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খেজুর, খুরমা এবং পানি ঢেলে দিয়ে থাকো। تقذفون এর পরিবর্তে تَذِيفُونَ রয়েছে এবং সাঈদের ‘খেজুর থেকে’ কথাটি উল্লেখ নেই।
২৮
আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীনের অনুশাসনের প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দেয়া এবং তার প্রতি মানুষকে আহবান করা, দ্বীন সম্বন্ধে (জানার জন্য) প্রশ্ন করা ও তা সংরক্ষণ করা আর যার কাছে দ্বীন পৌঁছায়নি তার নিকট দ্বীনের দা’ওয়াত পেশ করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী (ﷺ)-এর নিকট আসল, তখন বলল, হে আল্লাহর নবী! আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন, অথবা আল্লাহ আমাদের প্রাণ আপনার জন্য উৎসর্গ করুন। পানপাত্রের মধ্যে আমাদের জন্য কোন ধরনের পাত্র উপযোগী? তিনি বললেন, ‘নাকীরের’ পানীয় দ্রব্য পান করো না। এবার তারা বলল, হে আল্লাহর নবী! আল্লাহ আপনার জন্য আমাদের কুরবান করুন। ‘নাকীর’ কী, তা আপনি কি জানেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ! নাকীর এক প্রকার পাত্র যা খেজুর গাছ খোদাই করে তৈরিকরা হয়। তিনি আরো বললেন, ‘দুব্বা বা হানতাম’-এর মধ্যেও পানীয় পান করতে পারবে না, তবে তোমাদের উচিত যে পাত্রের মুখ রশি দ্বারা বাঁধা যায় (অর্থাৎ চামড়ার মশক বা থলি) তা ব্যবহার করা।
২৯
তাওহীদ ও রিসলাতের শাহাদাত এবং ইসলামের বিধানের দিকে আহবান পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে (ইয়েমেনের প্রশাসক নিযুক্ত করে) পাঠালেন। তিনি বললেন, ‘তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছ যারা কিতাবধারী। সুতরাং তাদেরকে আহ্বান জানাবে এ সাক্ষ্য দেয়ার জন্য যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোনো ইলাহ (উপাস্য) নেই আর আমি আল্লাহর রাসূল। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, প্রত্যহ দিন ও রাতে আল্লাহ তাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। যদি তারা তোমার এ কথাও মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, আল্লাহ তাদের উপর যাকাত ফরজ করেছেন—যা তাদের ধনীদের থেকে আদায় করা হবে এবং তাদের দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হবে। যদি তারা এ কথাও মেনে নেয়, তবে তাদের ভালো ভালো সম্পদগুলো গ্রহণ করা থেকে বিরত থেকো। আর মযলুমের অভিশাপকে ভয় করো, কেননা তার ও আল্লাহর মাঝখানে কোনো আড়াল নেই।’
৩০
তাওহীদ ও রিসলাতের শাহাদাত এবং ইসলামের বিধানের দিকে আহবান পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বললেনঃ নিশ্চয় তুমি এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছ... বাকী অংশ ওয়াকী’র বর্ণনার অনুরূপ।