৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১১
ইসলামের রুকনসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে কোন প্রশ্ন করতে কুরআন মাজিদে আমাদের নিষেধ করা হয়েছিল। তারপর তিনি হাদিসটির বাকী অংশ (উল্লিখিত হাদিসের) অনুরূপ বর্ণনা করেন।
১২
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ আইয়ূব (রাঃ)
আবূ আয়্যূব (রাঃ) বলেন, কোনো এক সফরে এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে এসে তাঁর উটনীর লাগাম ধরে ফেলল। এ সময় তিনি সফরে ছিলেন। সে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! (অথবা হে মুহাম্মদ!) আমাকে এমন কিছু কাজের কথা বলুন যা আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে দিবে এবং আগুন (জাহান্নাম) থেকে দূরে রাখবে।’ বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেমে গেলেন। তিনি সাহাবাদের দিকে তাকালেন। অতঃপর বললেন, ‘নিশ্চয়ই তাকে অনুগ্রহ করা হয়েছে (অথবা তিনি বললেন, তাকে হেদায়াত দান করা হয়েছে)।’ তিনি বললেন, ‘তুমি কী বলেছিলে?’ বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি তার কথার পুনরাবৃত্তি করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আল্লাহর ‘ইবাদত করো, তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না, সালাত কায়েম করো, যাকাত আদায় করো, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখো; এবার উটনীটি ছেড়ে দাও।’
১৩
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ আইয়ূব (রাঃ)
তিনি নবী (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
১৪
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ আইয়ূব (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর খিদমতে হাজির হয়ে আরয করলো, আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলে দিন, যে আমল আমাকে জান্নাতের কাছে পৌঁছে দিবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে। নবী (ﷺ) বললেন, তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে, তাঁর সাথে কোন কিছু শরীক করবে না, সালাত কায়েম করবে, যাকাত দিবে এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে। সে ব্যক্তি চলে গেলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাকে যে আমলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা দৃঢ়তার সাথে পালন করলে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর আবু শাইবার বর্ণনায় إِنْ تَمَسَّكَ بِمَا এর স্থলে إِنْ تَمَسَّكَ بِهِ রয়েছে।
১৫
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
এক বেদুঈন রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে আরয করলো, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে এমন কাজের নির্দেশ দিন, যা করলে আমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। তিনি বললেন, আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না, ফরজ সালাত কায়িম করো, নির্ধারিত যাকাত আদায় করো এবং রমজানের সাওম পালন করো। সে লোক বলল : সে সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমি কখনো এর মধ্যে বৃদ্ধিও করবো না, আর তা থেকে কমাবও না। লোকটি যখন চলে গেলো, নবী (ﷺ) বললেনঃ যদি কেউ কোন জান্নাতী লোক দেখে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন এ ব্যক্তিকে দেখে নেয়।
১৬
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
নুমান ইবন কাওকাল (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন, যদি আমি মাকতুবা (ফরজ) সালাত আদায় করি, হারামকে জেনে বর্জন করি এবং হালালকে হালাল বলে গ্রহণ করি, তাহলে কি আমি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব? নবী (ﷺ) বললেন, ‘হ্যাঁ’।
১৭
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
নু‘মান ইবন কাওকাল (রাঃ) বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! বাকী অংশ উপরোক্ত বর্ণনার অনুরূপ। তবে তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘তাতে কোন কিছু বর্ধিত করব না’ কথাটি অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন।
১৮
যে ঈমানের বদৌলত জান্নাতে পাওয়া যাবে এবং যে ব্যক্তি (আল্লাহর) নির্দেশকে আঁকড়ে ধরবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
কোন এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে আরজ করলেন, আপনি কি মনে করেন, যদি আমি ফরজ সালাতসমূহ আদায় করি, রমজানের সিয়াম পালন করি, হালালকে হালাল জানি এবং হারামকে হারাম জানি এবং যদি এর অতিরিক্ত কিছু না করি, তাহলে আমি কি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবো? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। সে ব্যক্তি বললেন, আল্লাহর কসম! আমি এর উপর কিছুমাত্র বাড়াবো না।
১৯
ইসলামের রুকনসমূহ ও তার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, ইসলামের বুনিয়াদ পাঁচটি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত- আল্লাহকে এক বলে বিশ্বাস করা, সালাত কায়েম করা, যাকাত দেওয়া, রমজানের সিয়াম পালন করা এবং হজ্জ করা। এক ব্যক্তি (এ ক্রম পাঁচটিতে) বলল, হজ্জ করা ও রমজানের সিয়াম পালন করা। রাবী বললেন, না, ‘রমজানের সিয়াম পালন করা ও হজ্জ করা’ এভাবে রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছি।
২০
ইসলামের রুকনসমূহ ও তার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেনঃ পাঁচটি জিনিসের উপর ইসলামের ভিত্তি স্থাপিত। আল্লাহর ইবাদত করা এবং তাঁকে ছাড়া আর সব কিছু অস্বীকার করা (অর্থাৎ ইবাদতের মালিক তিনি একাই), সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, বাইতুল্লাহর হজ্জ করা ও রমজানের সাওম পালন করা।