৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৮১
আমাদের নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শারী’আত অনুসারী প্রশাসক হিসেবে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (‘আঃ)-এর অবতরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ সে সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। শীঘ্রই তোমাদের মাঝে ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ)-কে একজন ন্যায়পরায়ণ প্রশাসক হিসেবে অবতীর্ণ করা হবে। তখন তিনি ক্রুশ (চিহ্ন) ধ্বংস করবেন, শুকর হত্যা করবেন, জিযিয়া কর রহিত করবেন। তখন সম্পদ এত বেশী হবে যে তা গ্রহণ করার কেউ থাকবে না। আবদুল আ'লা ইবনু হাম্মাদ, আবু বকর ইবনু আবু শাইবা, যুহাইর ইবনু হারব, হারমালাহ ইবনু ইয়াহিয়া, হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (তবে প্রত্যেক রিওয়ায়াতে কিছু ব্যবধান যেমন) ইবনু উয়াইনাহ তাঁর রিওয়ায়াতে إِمَامًا مُقْسِطًا وَحَكَمًا عَدْلاً কথাটির উল্লেখ করেন। ইউনুস তাঁর রিওয়ায়াতে حَكَمًا عَادِلاً এর উল্লেখ করেছেন إِمَامًا مُقْسِطًا উল্লেখ করেননি। সালিহ তাঁর রিওয়ায়াতে লায়স বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ حَكَمًا مُقْسِطًا বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণনায় আরও রয়েছে, সে সময় একটি সিজদা পৃথিবী ও পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ অপেক্ষা অধিক শ্রেয় বলে বিবেচিত হবে। তারপর আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পড়তে পার : “কিতাবীদের মধ্যে প্রত্যেকে তার মৃত্যুর পূর্বে তাঁকে [ঈসা (আঃ)-কে] বিশ্বাস করবেই এবং কেয়ামতের দিন তিনি তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবেন”—(সূরা আন্ নিসা ৪ : ১৫৯)।
২৮২
সকল মানুষের জন্য আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত হয়েছেন এবং অন্যান্য সকল দ্বীন ও ধর্ম তাঁর দ্বীনের মাধ্যমে রহিত হয়ে গেছে- এ কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আল্লাহর কসম! ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ বিচারকরূপে আসবেন এবং ক্রুশ চূর্ণ করবেন, শূকর হত্যা করবেন, জিযিয়া তথা কর রহিত করবেন।মোটা তাজা উটগুলো বন্ধনমুক্ত করে দেওয়া হবে কিন্তু তা নেয়ার জন্য কেউ চেষ্টা করবে না। পরস্পর শত্রুতা, হিংসা-বিদ্বেষ থাকবে না এবং সম্পদ গ্রহণের জন্য মানুষকে ডাকা হবে কিন্তু তা কেউ গ্রহণ করবে না।
২৮৩
সকল মানুষের জন্য আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত হয়েছেন এবং অন্যান্য সকল দ্বীন ও ধর্ম তাঁর দ্বীনের মাধ্যমে রহিত হয়ে গেছে- এ কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যখন ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) তোমাদের মাঝে অবতরণ করবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের ইমাম হবেন।
২৮৪
সকল মানুষের জন্য আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত হয়েছেন এবং অন্যান্য সকল দ্বীন ও ধর্ম তাঁর দ্বীনের মাধ্যমে রহিত হয়ে গেছে- এ কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমাদের জীবন কতই না ধন্য হবে, যে সময়ে ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ)-কে তোমাদের মাঝে পাঠানো হবে আর তিনি তোমাদের নেতৃত্ব দিবেন।
২৮৫
সকল মানুষের জন্য আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত হয়েছেন এবং অন্যান্য সকল দ্বীন ও ধর্ম তাঁর দ্বীনের মাধ্যমে রহিত হয়ে গেছে- এ কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমরা কতই না ধন্য হবে, যে সময় ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) আসবেন এবং তোমাদেরই একজন তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন। ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম বলেন, আমি ইবনু আবু যিবকে জিজ্ঞেস করলাম, আওযাঈ আমাদেরকে যুহরীর সূত্রে, তিনি নাফি হতে, তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন : وَإِمَامُكُمْ مِنْكُمْ “আর তোমাদের থেকেই তোমাদের ইমাম হবে”। إِمَامُكُمْ مِنْكُمْ “তোমাদের থেকেই তোমাদের ইমাম হবে” কথাটির মর্ম জান কী? আমি বললাম, বলুন। তিনি বললেন অর্থাৎ তোমাদের প্রতিপালক প্রেরিত কিতাব ও তোমাদের নবী (ﷺ)-এর অনুসৃত আদর্শের অবলম্বনে তিনি তোমাদের নেতৃত্ব প্রদান করবেন।
২৮৬
সকল মানুষের জন্য আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত হয়েছেন এবং অন্যান্য সকল দ্বীন ও ধর্ম তাঁর দ্বীনের মাধ্যমে রহিত হয়ে গেছে- এ কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, কেয়ামত পর্যন্ত আমার উম্মতের একদল সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে লড়তে থাকবে এবং অবশেষে ঈসা (আঃ) অবতরণ করবেন। মুসলিমদের আমীর বলবেন, আসুন সালাতে আমাদের ইমামতি করুন। তিনি বলবেন না, আপনাদেরই একজন অন্যদের জন্য ইমাম নিযুক্ত হবে। এ হলো আল্লাহ তা’আলা প্রদত্ত এ উম্মতের সম্মান।
২৮৭
যে সময়ে ঈমান কবূল হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ পশ্চিম দিকে সূর্যোদয়ের পূর্বে কেয়ামত সংঘটিত হবে না, আর যখন পশ্চিমাকাশে সূর্য উঠবে তখন সকল মানুষ একত্রে ঈমান আনবে। কিন্তু যে ইতঃপূর্বে ঈমান আনেনি অথবা যে ঈমান অনুযায়ী নেক কাজ করেনি সে সময়ে ঈমান আনায় তার কোন কল্যাণ সাধিত হবে না। আবু বকর ইবনু শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, আবু কুরায়ব, যুহাইর ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন।
২৮৮
যে সময়ে ঈমান কবূল হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: এ তিনটি বিষয় প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে যারা ঈমান আনেনি বা ঈমান অনুযায়ী নেক কাজ করেনি, এগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর তাদের ঈমানে কোন উপকার হবে না।(১) পশ্চিমাকাশ থেকে সূর্যোদয়,(২) দাজ্জাল (এর আবির্ভাব) ও(৩) দাব্বাতুল আর্‌য (ভূখণ্ড হতে এক প্রকার প্রাণীর আবির্ভাব)।
২৮৯
যে সময়ে ঈমান কবূল হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
একদিন নবী (ﷺ) বলেন, “তোমরা কি জান, এ সূর্য কোথায় যায়?” সাহাবীগণ বললেন, “আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন।” তিনি বললেন, “এ সূর্য চলতে থাকে এবং (আল্লাহ তা’আলার) ‘আরশের নিচে অবস্থিত তার অবস্থানস্থলে যায়। সেখানে সে সিজদাবনত হয়ে পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয়, ‘উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও!’ অনন্তর সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল দিয়েই উদিত হয়।তা আবার চলতে থাকে এবং ‘আরশের নিচে অবস্থিত তার অবস্থানস্থলে যায়। সেখানে সে সিজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকে। শেষে যখন তাকে বলা হয়, ‘উঠ এবং যেখান থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও।’ তখন সে ফিরে আসে এবং নির্ধারিত উদয়স্থল হয়েই সে উদিত হয়। এমনিভাবে চলতে থাকবে; মানুষ তার থেকে অস্বাভাবিক কিছু হতে দেখবে না।শেষে একদিন সূর্য যথারীতি ‘আরশের নিচে তার অবস্থানে যাবে। তাকে বলা হবে, ‘উঠ এবং অস্তাচল থেকে উদিত হও।’ অনন্তর সেদিন সূর্য পশ্চিমাকাশে উদিত হবে।” রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, “(কুরআনের বাণী) “কোন দিন সে অবস্থা হবে তোমরা জান? সেদিন ঐ ব্যক্তির ঈমান কোন কাজে আসবে না, যে ব্যক্তি পূর্বে ঈমান আনেনি কিংবা যে ব্যক্তি ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি”—(সূরা আল-আন’আম ৬ : ১৫৮)।
২৯০
যে সময়ে ঈমান কবূল হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
নবী (ﷺ) একদা আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা কি জান এ সূর্য কোথায় গমন করে? ..... এরপর রাবী ইবনুল উলাইয়্যাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।