৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৬১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৬০১
আল্লাহ্‌র পথে (যুদ্ধক্ষেত্রে) সিয়াম পালন করতে সক্ষম হলে এবং এতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার বা শক্তিহীন হয়ে যুদ্ধ করতে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকলে এ ধরনের সিয়ামের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে বান্দা আল্লাহর রাস্তায় (যুদ্ধের সময়) একদিন সিয়াম পালন করবে, আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে এ দিনের (সিয়ামের) বরকতে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন।
২৬০২
আল্লাহ্‌র পথে (যুদ্ধক্ষেত্রে) সিয়াম পালন করতে সক্ষম হলে এবং এতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার বা শক্তিহীন হয়ে যুদ্ধ করতে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকলে এ ধরনের সিয়ামের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
সুহায়ল (রহঃ)
উপরের হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
২৬০৩
আল্লাহ্‌র পথে (যুদ্ধক্ষেত্রে) সিয়াম পালন করতে সক্ষম হলে এবং এতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার বা শক্তিহীন হয়ে যুদ্ধ করতে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকলে এ ধরনের সিয়ামের ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে বান্দা আল্লাহর রাস্তায় একদিন সিয়াম পালন করে, আল্লাহ তা’আলা তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে রাখবেন।
২৬০৪
দিনের বেলা সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার পূর্ব পর্যন্ত নাফ্‌ল সিয়ামের নিয়্যাত করা যেতে পারে, নাফ্‌ল সিয়াম পালনকারীর জন্য কোনরূপ ওজর ছাড়াই সিয়াম ভঙ্গ করা জায়িয, তবে সিয়াম পূর্ণ করাই উত্তম। পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, “হে আয়িশা! তোমাদের কাছে কি খাওয়ার মতো কিছু আছে?” আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার মতো কিছুই নেই।” তিনি বললেন, “আমি সিয়াম পালনকারী।”আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাইরে চলে গেলেন। পরে আমাদের জন্য হাদিয়া হিসেবে কিছু জিনিস আসলো এবং সাথে সাথে আমাদের কাছে কিছু সংখ্যক মেহমানও আসলো। তিনি আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন ফিরে আসলেন, আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবে কিছু জিনিস এসেছে এবং কয়েকজন মেহমানও এসেছে (তাই হাদিয়ার বেশির ভাগ তাদেরকে খাইয়ে দিয়েছি)। আমি তা থেকে কিছু অংশ আপনার জন্য লুকিয়ে রেখেছি।” তিনি বললেন, “তা কী?” আমি বললাম, “তা হলো হাইস (খেজুর, পনির ও আটার সমন্বয়ে তৈরি হালুয়া)।” তিনি বলেন, “তা নিয়ে এসো।” অতঃপর আমি তা নিয়ে আসলাম। তিনি তা খেয়ে বললেন, “আমি ভোরে সিয়াম পালন করেছিলাম।”তলহা বলেন, আমি এ হাদিসটি মুজাহিদের কাছে বর্ণনা করলাম। “এটা (এভাবে নফল সিয়াম ভেঙে ফেলা) এমন ব্যক্তির সাথে তুল্য যে নিজের সম্পদ থেকে সদকা বের করে। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে তা দিতেও পারে আর রেখেও দিতে পারে।”
২৬০৫
দিনের বেলা সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার পূর্ব পর্যন্ত নাফ্‌ল সিয়ামের নিয়্যাত করা যেতে পারে, নাফ্‌ল সিয়াম পালনকারীর জন্য কোনরূপ ওজর ছাড়াই সিয়াম ভঙ্গ করা জায়িয, তবে সিয়াম পূর্ণ করাই উত্তম। পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্‌ হতে
একদিন নবী (ﷺ) আমার কাছে এসে বললেন, “তোমাদের কাছে কিছু আছে কি?” আমরা বললাম, “না।” তিনি বললেন, “তাহলে আমি সিয়াম পালন করলাম।” আর একদিন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল! আমাদেরকে ‘হায়স’ (ঘি বা পনির মিশ্রিত খেজুর) হাদিয়া দেয়া হয়েছে।” তিনি বললেন, “আমাকে তা দেখাও; অবশ্য আমি সকালে সিয়ামের নিয়ত করেছি।” অতঃপর তিনি তা খেলেন।
২৬০৬
ভুলে পানাহার করলে বা সঙ্গম করে বসলে তাতে সিয়াম ভঙ্গ হয় না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি সিয়াম অবস্থায় ভুলে কিছু খেয়েছে বা পান করেছে সে যেন তার সিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল্লাহই তাকে খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন।
২৬০৭
রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম, নবী (ﷺ) কি রমজান মাস ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! তিনি আজীবন রমজান ছাড়া অন্য কোন সময় পূর্ণ এক মাস সিয়াম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও অতিবাহিত হয়নি যাতে তিনি অন্তত কিছু সিয়াম পালন করেননি।
২৬০৮
রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী (ﷺ) কি কখনও একটি পূর্ণ মাস (নফল) সাওম পালন করতেন? তিনি বললেন, আমার জানা মতে তাঁর ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তিনি রমজান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে পূর্ণ মাস সাওম পালন করেননি। আর এমন কোন মাসও কাটেনি যে মাসে তিনি (দুই একটি) সাওম পালন করেননি।
২৬০৯
রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে নবী (ﷺ)-এর সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তিনি একাধারে সিয়াম পালন করতেন, যাতে আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম করেছেন, সিয়াম করেছেন। এবং কখনো তিনি একাধারে ইফতার করতেন, যাতে আমরা বলতাম, তিনি ইফতার করেছেন, ইফতার করেছেন। আয়িশা (রাঃ) আরও বলেন, তিনি মদিনায় আসার পর আমি তাঁকে রমজান মাস ছাড়া কখনও পূর্ণ একটি মাস সিয়াম পালন করতে দেখিনি।
২৬১০
রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সানাদে অধঃস্তন রাবী হিশাম ও মুহাম্মদের নাম উল্লেখ নেই।