৩৪৯৯
মোট হাদিস
৩৪৯৯
দেখানো হচ্ছে
৬৪
অধ্যায়
৮৯৯
বর্ণনাকারী
৫০/৩৫০
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৩৪৯৯
৪৯১
সালাত মদীনার রাস্তার মাসজিদসমূহ এবং যে সকল স্থানে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেছিলেন।
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাযি.)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) তাঁকে আরও বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘যূ-তুওয়া’য় অবতরণ করতেন এবং এখানেই রাত যাপন করতেন আর মক্কা্য় আসার পথে এখানেই ফজরের সালাত আদায় করতেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাত আদায়ের সেই স্থানটা ছিল একটা বড় টিলার উপরে। যেখানে মাসজিদ নির্মিত হয়েছে সেখানে নয় বরং তার নীচে একটা বড় টিলার উপর।
৪৯২
সালাত মদীনার রাস্তার মাসজিদসমূহ এবং যে সকল স্থানে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেছিলেন।
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাযি.)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) তাঁর নিকট আরও বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাহাড়ের দু’টো প্রবেশপথ সামনে রাখতেন যা তার ও দীর্ঘ পাহাড়ের মাঝখানে কা‘বার দিকে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে যে মাসজিদ নির্মিত হয়েছে, সেটিকে তিনি [ইবনু ‘উমার (রাযি.)] টিলার প্রান্তের মাসজিদটির বাম পাশে রাখতেন। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাতের জায়গা ছিল এর নীচের কাল টিলার উপরে। এটি প্রথম টিলা হতে প্রায় দশ হাত দূরে। অতঃপর যে পাহাড়টি তোমার ও কা‘বার মাঝখানে পড়বে তার দু’প্রবেশ দ্বারের দিকে মুখ করে তুমি সালাত আদায় করবে।
৪৯৩
সালাত ইমামের সুতরাই মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট।
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি একটা মাদী গাধার উপর সওয়ার হয়ে এলাম, তখন আমি ছিলাম সাবালক হবার নিকটবর্তী। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে দেয়াল ব্যতীত অন্য কিছুকে সুতরাহ বানিয়ে মিনায় লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন। কাতারের কিছু অংশ অতিক্রম করে আমি সওয়ারী হতে অবতরণ করলাম। গাধীটিকে চরাতে দিয়ে আমি কাতারে শামিল হয়ে গেলাম। আমাকে কেউই এ কাজে বাধা দেয়নি।
৪৯৪
সালাত ইমামের সুতরাই মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট।
ইবনু উমার (রাযি.)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন যখন বের হতেন তখন তাঁর সম্মুখে ছোট নেযা (বল্লম) পুঁতে রাখতে নির্দেশ দিতেন। সেদিকে মুখ করে তিনি সালাত আদায় করতেন। আর লোকজন তাঁর পেছনে দাঁড়াতো। সফরেও তিনি তাই করতেন। এ হতে শাসকগণও এ পন্থা অবলম্বন করেছেন।
৪৯৫
সালাত ইমামের সুতরাই মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট।
আওন ইবনু আবূ জুহাইফাহ (রহ.)
আওন ইবনু আবূ জুহাইফাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে নিয়ে ‘বাতহা’ নামক স্থানে যুহরের দু’ রাক‘আত ও ‘আসরের দু‘ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। তখন তাঁর সামনে বল্লম পুঁতে রাখা হয়েছিল। তাঁর সম্মুখ দিয়ে (সুত্রার বাইরে) নারী ও গাধা চলাচল করতো।
৪৯৬
সালাত মুসল্লী ও সুতরার মাঝখানে কী পরিমাণ দূরত্ব থাকা উচিত?
সাহল ইবনু সাদ (রাযি.)
সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সালাতের স্থান ও দেয়ালের মাঝখানে একটা বকরী চলার মত ব্যবধান ছিল।
৪৯৭
সালাত মুসল্লী ও সুতরার মাঝখানে কী পরিমাণ দূরত্ব থাকা উচিত?
সালামাহ্ (রাযি.)
সালামাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ মসজিদের দেয়াল ছিল মিম্বারের এত নিকট যে, মাঝখান দিয়ে একটা বকরীরও চলাচল কঠিন ছিল।
৪৯৮
সালাত বর্শা সামনে রেখে সালাত আদায়।
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাযি.)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সামনে বর্শা পুঁতে রাখা হতো, আর তিনি সেদিকে সালাত আদায় করতেন।
৪৯৯
সালাত লৌহযুক্ত ছড়ি সামনে রেখে সালাত আদায়।
আওন ইবনু আবূ জুহাইফাহ (রহ.)
আওন ইবনু আবূ জুহাইফাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার পিতার কাছ হতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ একদা দুপুরে আমাদের সামনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনলেন। তাঁকে উযূর পানি দেয়া হলো। তিনি উযূ করলেন এবং আমাদের নিয়ে যুহর ও ‘আসরের সালাত আদায় করলেন। সালাতের সময় তাঁর সামনে ছিল বল্লম, যার বাইরের দিক দিয়ে নারী ও গাধা চলাচল করতো।
৫০০
সালাত লৌহযুক্ত ছড়ি সামনে রেখে সালাত আদায়।
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হতেন, তখন আমি ও একজন বালক তাঁর পিছনে যেতাম। আর আমাদের সাথে থাকতো একটা লাঠি বা একটা ছড়ি অথবা একটা ছোট নেযা, আরো থাকতো একটা পানির পাত্র। তিনি তাঁর প্রয়োজন সেরে নিলে আমরা তাঁকে ঐ পাত্রটি দিতাম।