৩৫০০
মোট হাদিস
৩৫০০
দেখানো হচ্ছে
৬৪
অধ্যায়
৮৯৯
বর্ণনাকারী
১২০/৩৫০
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৩৫০০
১১৮৭
তাহাজ্জুদ নফল সালাত ঘরের মধ্যে আদায় করা।
ইবনু ’উমার (রাযি.)
ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা তোমাদের কিছু কিছু সালাত তোমাদের ঘরে আদায় করবে, তোমাদের ঘরগুলোকে কবর বানাবে না। ’আবদুল ওহ্হাব (রহ.) আইউব (রাযি.) হতে হাদীস বর্ণনায় ওয়াহ্ব (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন।
১১৮৮
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা।
কায‘আ (রহ.)
কায‘আ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)-কে চারটি (বিষয়) বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি। আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
১১৮৯
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুর রাসূল এবং মাসজিদুল আকসা (বায়তুল মাক্দিস) তিনটি মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদে (সালাতের) উদ্দেশে হাওদা বাঁধা যাবে না (অর্থাৎ সফর করা যাবে না)।
১১৯০
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাসজিদুল হারাম ব্যতীত আমার এ মসজিদে সালাত আদায় করা অপরাপর মসজিদে এক হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম।
১১৯১
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা কুবা মাসজিদ
নাফি‘ (রহ.)
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ইবনু ‘উমার (রাযি.) দু’ দিন ছাড়া অন্য সময়ে চাশ্তের সালাত আদায় করতেন না, যে দিন তিনি মক্কা্য় আগমন করতেন। তাঁর অভ্যাস ছিল যে, তিনি চাশ্তের সময় মক্কা্য় আগমন করতেন। তিনি বাইতুল্লাহ্ ত্বওয়াফ করার পর মাকামে ইব্রাহীম-এর পিছনে দাঁড়িয়ে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। আর যে দিন তিনি কুবা মসজিদে গমন করতেন। তিনি প্রতি শনিবার সেখানে গমন করতেন এবং সেখানে সালাত আদায় না করে বেরিয়ে আসা অপছন্দ করতেন। নাফি‘ (রহ.) বলেন, তিনি (ইবনু ‘উমার (রাযি.) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবা মাসজিদ যিয়ারাত করতেন- কখনো সওয়ারীতে, কখনো পদব্রজে।
১১৯২
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা কুবা মাসজিদ
নাফি‘ (রহ.)
নাফি‘ (রহ.) বলেন, তিনি (ইবনু ‘উমার (রাযি.) তাঁকে আরো বলতেন, আমি আমার সাথীদেরকে যেমন করতে দেখেছি তেমন করব। আর কাউকে আমি দিন রাতের কোন সময়ই সালাত আদায় করতে বাধা দিইনা, তবে তাঁরা যেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় (সালাতের) ইচ্ছা না করে।
১১৯৩
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা প্রতি শনিবার যিনি কুবা মসজিদে আগমন করেন।
ইবনু ‘উমার (রাযি.)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি শনিবার কুবা মসজিদে আসতেন, কখনো পদব্রজে, কখনো সওয়ারীতে। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)-ও ঐরূপ করতেন।
১১৯৪
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা পদব্রজে কিংবা সওয়ারীতে করে কুবা মসজিদে আগমন করা।
ইবনু ‘উমার (রাযি.)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরোহণ করে কিংবা পায়ে হেঁটে কুবা মসজিদে আসতেন। ইবনু নুমায়র (রহ.) নাফি‘ (রহ.) হতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন।
১১৯৫
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা ক্ববর ও (মসজিদে নাবাবীর) মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানের ফযীলত।
আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ-মাযিনী (রাযি.)
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ-মাযিনী (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বার-এর মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান।
১১৯৬
মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা ক্ববর ও (মসজিদে নাবাবীর) মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানের ফযীলত।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান আর আমার মিম্বর অবস্থিত আমার হাউয (কাউসার)-এর উপরে।