৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৭৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৭৬১
ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে বিক্রি করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পরিপক্ক হওয়ার আগে তোমরা ফল বিক্রি করো না।
৩৭৬২
ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে বিক্রি করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
যুহায়র ইবনু হার্ব (রহঃ) সুফ্ইয়ান (রহঃ)-এর সূত্রে এবং ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ও শু’বাহ্ (রহঃ) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ)
উপরোক্ত হাদিস বর্ণনা করেন। অবশ্য শুবা বর্ণনায় এতটুকু অতিরিক্ত আছে যে, ইবন উমর (রাঃ)-এর কাছে পরিপক্ক হওয়ার অর্থ কী, জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগ পার হওয়া।
৩৭৬৩
ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে বিক্রি করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিষেধ করেছেন অথবা তিনি বলেন, আমাদের নিষেধ করেছেন ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করতে।
৩৭৬৪
ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে বিক্রি করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদিল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিষেধ করেছেন ফল আহারযোগ্য হওয়ার আগেই বিক্রি করতে।
৩৭৬৫
ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে বিক্রি করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূল বুখ্‌তারী (রহঃ)
তিনি বললেন, আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গাছে থাকা খেজুর বিক্রি সম্পর্কে জানতে চাইলাম। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গাছের খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন যতক্ষণ না তা খাওয়া যায় বা খাওয়ার যোগ্য হয় এবং ওজন করা যায়। রাবী বলেন, আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে ওজন করবে? তখন তার পাশেই অবস্থানকারী একজন ব্যক্তি উত্তর দিল- পরিমাণ করবে।
৩৭৬৬
ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে বিক্রি করা নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ফল খাওয়ার উপযোগী হওয়ার আগে তোমরা ক্রয় করবে না।
৩৭৬৭
শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম কিন্তু ‘আরায়া [১১] হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
য়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, ইবনু নুমায়র ও যুহায়র ইবনু হার্ব (রহঃ) ভিন্ন সূত্রে ইবনু ‘উমার (রা.) সূ্রেত নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন এবং শুকনা খেজুরের বিনিময়ে রসালো তাজা খেজুর বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন।
৩৭৬৮
শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম কিন্তু ‘আরায়া [১১] হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রা.) বর্ণনা করেন, যায়দ ইবনু সাবিত (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরায়া ধরনের কেনা-বেচার অনুমতি দান করেছেন। ইবনু নুমায়ের তাঁর বর্ণনায়أَنْ تُبَاعَ শব্দটি বাড়িয়েছেন।
৩৭৬৯
শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম কিন্তু ‘আরায়া [১১] হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা ফল ক্রয় করো না খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে এবং তাজা রসালো খেজুর ক্রয় করো না শুকনো খেজুরের বিনিময়ে। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন: সালিম তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৩৭৭০
শুকনা খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করা হারাম কিন্তু ‘আরায়া [১১] হারাম নয় পরিচ্ছেদ নাই
ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুযাবানাহ ও মুহাকালাহ নিষেধ করেছেন। মুযাবানাহ হল, গাছের খেজুর খুরমার (শুকনা খেজুর) বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করা। আর মুহাকালাহ হল, ক্ষেতের শস্য অনুমান করে সংগৃহীত শস্যের বিনিময়ে বিক্রি করা এবং সংগৃহীত গমের পরিবর্তে জমি বর্গা দেয়া।ইবনু শিহাব (রহঃ) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ফল খাওয়ার যোগ্য হওয়ার আগে ক্রয় করো না। আর খুরমার বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করো না।সালিম (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু সাবিত (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, অতঃপর ‘আরায়া’ প্রক্রিয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে তাজা অথবা শুকনা খেজুরের ক্রয়-বিক্রয়ে অনুমতি দান করেছেন। এ ছাড়া অন্য কোন ফলের ব্যাপারে তিনি এমন অনুমতি দেননি।