৩৪৯৯
মোট হাদিস
৩৪৯৯
দেখানো হচ্ছে
৬৪
অধ্যায়
৮৯৯
বর্ণনাকারী
৩১৭/৩৫০
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৩৪৯৯
৩১৬১
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন মুসলিম রাষ্ট্রের ইমাম কোন জনপদের প্রধানের সঙ্গে সন্ধি করলে, তা কি অবশিষ্ট লোকেদের উপরও কার্যকর হবে?
আবূ হুমায়দ সা‘ঈদ (রাঃ)
আবূ হুমাইদ সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তাবুক যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। তখন আয়লাহর অধিপতি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য একটি সাদা রং এর খচ্চর হাদিয়া দিল আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে চাদর দান করলেন এবং এলাকা তারই জন্য লিখে দিলেন।
৩১৬২
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যাদের অঙ্গীকার আছে তাদের ব্যাপারে ওয়াসিয়্যাত।
জুয়াইরিয়াহ ইবনু কুদামাহ তামীমী (রহঃ)
জুয়াইরিয়াহ ইবনু কুদামাহ তামীমী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ’উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে বললাম, ’হে আমীরুল মুমিনীন! আমাদের কিছু অসীয়্যাত করুন।’ তিনি বললেন, ’আমি তোমাদেরকে আল্লাহর ওয়াদা রক্ষার অসিয়্যত করছি। কারণ তা হল তোমাদের নবীর ওয়াদা এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনের জীবিকা।’
৩১৬৩
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহরাইনের জমি হতে যা বন্দোবস্ত দেন এবং বাহরাইনের সম্পদ ও জিযইয়াহ হতে যা দেয়ার ওয়াদা করেন। ফায় ও জিযইয়াহ কাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে?
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহরাইনের ভূমি লিখে দেয়ার জন্য আনসারদের ডাকলেন। তখন তাঁরা বললেন, না, আল্লাহর কসম! আমরা সে পর্যন্ত গ্রহণ করব না, যে পর্যন্ত আপনি আমাদের ভাই কুরাইশদের জন্যও একইভাবে লিখে না দেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ সম্পদ তো তাদের জন্য যতক্ষণ আল্লাহ তা‘আলা চাইবেন। কিন্তু তারা সে কথাই বলতে থাকলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার পরে দেখতে পাবে যে, অন্যদেরকে তোমাদের উপর প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তখন তোমরা আমার সঙ্গে হাওযে মিলিত হওয়া পর্যন্ত সবর করবে।
৩১৬৪
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহরাইনের জমি হতে যা বন্দোবস্ত দেন এবং বাহরাইনের সম্পদ ও জিযইয়াহ হতে যা দেয়ার ওয়াদা করেন। ফায় ও জিযইয়াহ কাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে?
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছিলেন, যদি আমার নিকট বাহরাইনের মাল আসে তবে আমি তোমাকে এ পরিমাণ, এ পরিমাণ, এ পরিমাণ দিব। পরে যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন আর বাহরাইনের সম্পদ এসে যায় তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যে ব্যক্তির কোন ওয়াদা থাকে, সে যেন আমার নিকট আসে। তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম এবং বললাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছিলেন, যদি আমার নিকট বাহরাইনের সম্পদ আসে, তবে আমি তোমাকে এ পরিমাণ, এ পরিমাণ ও এ পরিমাণ দিব। আবূ বকর (রাঃ) আমাকে বললেন, তুমি অঞ্জলি ভরে নাও। আমি এক অঞ্জলি উঠালাম। তিনি আমাকে বললেন, এগুলো গুণে দেখ। আমি গুণে দেখলাম যে, তাতে পাঁচশ রয়েছে। তখন তিনি আমাকে এক হাজার পাঁচশ দিলেন।
৩১৬৫
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহরাইনের জমি হতে যা বন্দোবস্ত দেন এবং বাহরাইনের সম্পদ ও জিযইয়াহ হতে যা দেয়ার ওয়াদা করেন। ফায় ও জিযইয়াহ কাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে?
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বাহরাইনের মাল এলো। তখন তিনি বললেন, তোমরা এগুলো মসজিদে ঢেলে দাও আর এ মাল এর আগে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসা মালের থেকে অনেক অধিক ছিল। এ সময় ‘আব্বাস (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে দান করুন। আমি আমার এবং আকীলের মুক্তিপণ দিয়েছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আচ্ছা নাও। তিনি তার কাপড়ে অঞ্জলি ভরে নিতে লাগলেন। অতঃপর তা উঠাতে চাইলেন কিন্তু উঠাতে পারলেন না। তখন তিনি বললেন, কাউকে আমার উপর এ বোঝা উঠিয়ে দিতে বলুন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না। তখন তিনি বললেন, আচ্ছা আপনিই আমার উপর উঠিয়ে দিন। রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না। তিনি তা হতে কিছু কম করলেন এবং উঠাতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু উঠাতে পারলের না। অতঃপর বললেন, কাউকে আমার উপর বোঝাটি উঠিয়ে দিতে বলুন। তিনি বললেন, না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আপনিই একটু আমার উপর উঠিয়ে দিন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না। অতঃপর তিনি আবার তা হতে কমালেন, অতঃপর কাঁধে উঠিয়ে রওনা হলেন। তাঁর এ আসক্তি দেখে বিস্ময়ের সাথে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকিয়ে থাকলেন, যতক্ষণ না তিনি আমাদের দৃষ্টির আড়াল হলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে স্থানে একটি দিরহাম থাকা পর্যন্ত সেখান হতে উঠে দাঁড়াননি।
৩১৬৬
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন নিরপরাধ জিম্মী হত্যার পাপ।
আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন জিম্মীকে কতল করে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না। যদিও জান্নাতের ঘ্রাণ চল্লিশ বছরের দূরত্ব হতে পাওয়া যাবে।’
৩১৬৭
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন আরব উপদ্বীপ হতে ইয়াহুদীদের বহিষ্করণ।
আবূ হুরায়রা (রাঃ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা মসজিদে নববীতে উপবিষ্ট ছিলাম। এ সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং বললেন, তোমরা ইয়াহূদীদের কাছে চল। আমরা চললাম এবং তাদের পাঠকেন্দ্রে পৌঁছলাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উদ্দেশে বললেন, তোমরা ইসলাম গ্রহণ কর, তাহলে নিরাপত্তা পাবে আর জেনে রাখ, পৃথিবী আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের। আমি ইচ্ছা করেছি, আমি তোমাদের এ দেশ হতে নির্বাসিত করব। যদি তোমাদের কেউ তাদের মালের বিনিময়ে কিছু পায়, তবে সে যেন তা বিক্রি করে ফেলে। আর জেনে রাখ, পৃথিবী আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূলের।
৩১৬৮
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন আরব উপদ্বীপ হতে ইয়াহুদীদের বহিষ্করণ।
সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)
সা‘ঈদ ইবনু জুবাইর (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ বৃহস্পতিবার! তুমি জান কি বৃহস্পতিবার কেমন দিন? এ বলে তিনি এমনভাবে কাঁদলেন যে, তাঁর অশ্রুতে কঙ্কর ভিজে গেল। আমি বললাম, হে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)! বৃহস্পতিবার দিন কী হয়েছিল? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগকষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছিল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, আমার নিকট গর্দানের হাড় নিয়ে এস, আমি তোমাদের জন্য এমন একটি লিপি লিখে দিব অতঃপর তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। তখন উপস্থিত সাহাবীগণের বাদানুবাদ হল। অথচ নবীর সামনে বাদানুবাদ করা শোভনীয় নয়। সাহাবীগণ বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কী হয়েছে? তিনি কি বলতে ভুলে গেলেন? তোমরা আবার জিজ্ঞেস করে দেখ। তখন তিনি বললেন, আমাকে ছেড়ে দাও। আমি যে অবস্থায় আছি, তা তোমরা আমাকে যেদিকে ডাকছ তার চেয়ে উত্তম। অতঃপর তিনি তাঁদের তিনটি বিষয়ে আদেশ দিলেন। (১) মুশরিকদের আরব উপদ্বীপ হতে বের করে দিবে, (২) বহিরাগত প্রতিনিধিদের সেভাবে উপঢৌকন দিবে যেভাবে আমি তাদের দিতাম। তৃতীয়টি উত্তম ছিল হয়ত তিনি সে ব্যাপারে নীরব থেকেছেন, নতুবা তিনি বলেছিলেন, আমি ভুলে গিয়েছি। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, এই উক্তিটি বর্ণনাকারী সুলাইমান (রহ.)-এর।
৩১৬৯
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন মুশরিকরা মুসলিমদের সাথে গাদ্দারী করলে তাদের কি ক্ষমা করা হবে?
আবূ হুরায়রা (রাঃ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন খায়বার বিজিত হয়, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একটি (ভুনা) বকরী হাদিয়া দেয়া হয়; যাতে বিষ ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ দিলেন যে, এখানে যত ইয়াহূদী আছে, সকলকে একত্র কর। তাদের সকলকে তাঁর সামনে একত্র করা হল। তখন তিনি বললেন, আমি তোমাদের একটি প্রশ্ন করব। তোমরা কি আমাকে তার সত্য উত্তর দিবে?’ তারা বলল, ‘হ্যাঁ, সত্য উত্তর দিব।’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমাদের পিতা কে?’ তারা বলল, ‘অমুক।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তোমরা মিথ্যা বলেছ, বরং তোমাদের পিতা অমুক।’ তারা বলল, ‘আপনিই ঠিক বলেছেন।’ তখন তিনি বললেন, ‘আমি যদি তোমাদের একটি প্রশ্ন করি, তোমরা কি তার সঠিক উত্তর দিবে?’ তারা বলল, ‘হ্যাঁ, দিব, হে আবুল কাসিম! আর যদি আমরা মিথ্যা বলি, তবে আপনি আমাদের মিথ্যা ধরে ফেলবেন, যেমন আমাদের পিতা সম্পর্কে আমাদের মিথ্যা ধরে ফেলেছেন।’ তখন তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘কারা জাহান্নামবাসী?’ তারা বলল, ‘আমরা তথায় অল্প কিছু দিন অবস্থান করব, অতঃপর আপনারা আমাদের পেছনে সেখানে থেকে যাবেন।’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘দূর হও, তোমরাই সেখানে থাকবে। আল্লাহর কসম! আমরা কখনো তাতে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত হব না।’ অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘আমি যদি তোমাদের একটি প্রশ্ন করি, তোমরা কি তার সঠিক উত্তর দিবে?’ তারা বলল, ‘হ্যাঁ, হে আবুল কাসিম!’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমরা কি এ বকরীটিতে বিষ মিশিয়েছ? তারা বলল, ‘হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, ‘কিসে তোমাদের এ কাজে উদ্বুদ্ধ করল?’ তারা বলল, ‘আমরা চেয়েছি আপনি যদি মিথ্যাচারী হন, তবে আমরা আপনার নিকট হতে স্বস্তি লাভ করব। আর আপনি যদি নবী হন তবে তা আপনার কোন ক্ষতি করবে না।’
৩১৭০
জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ইমামের দু‘আ।
আসিম (রহঃ)
আসিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে কুনূত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, রুকুর আগে। আমি বললাম, অমুক তো বলে যে, আপনি রুকুর পরে বলেছেন। তিনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে। অতঃপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাস পর্যন্ত রুকুর পরে কুনূত পড়েন। তিনি বানূ সুলাইম গোত্রসমূহের বিরুদ্ধে দু‘আ করেছিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চল্লিশজন কিংবা সত্তর জন ক্বারী কয়েকজন মুশরিকের কাছে পাঠালেন। তখন বানূ সুলাইমের লোকেরা তাঁদের হামলা করে তাঁদের হত্যা করে। অথচ তাদের এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মধ্যে সন্ধি ছিল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ ক্বারীদের জন্য যতটা ব্যথিত দেখেছি আর কারো জন্য এতখানি ব্যথিত দেখিনি।