৩৫০০
মোট হাদিস
৩৫০০
দেখানো হচ্ছে
৬৪
অধ্যায়
৮৯৯
বর্ণনাকারী
১১৩/৩৫০
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৩৫০০
১০৯৯
সালাত ক্বাসর করা ফার্য সালাতের জন্য সওয়ারী হতে অবতরণ করা।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওয়ারীর উপর পূর্ব দিকে ফিরেও সালাত আদায় করেছেন। কিন্তু যখন তিনি ফরজ সালাত আদায় করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি সওয়ারী হতে অবতরণ করতেন এবং কিবলামুখী হতেন।
১১০০
সালাত ক্বাসর করা গাধার উপর (সওয়ার হয়ে) নফল সালাত আদায় করা।
আনাস ইবনু সীরীন (রহ.)
আনাস ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) যখন সিরিয়া হতে ফিরে আসছিলেন, তখন আমরা তাঁকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্য এগিয়ে এসেছিলাম। আইনুত্ তামর (নামক) স্থানে আমরা তাঁর সাক্ষাৎ পেলাম। তখন আমি তাঁকে দেখলাম গাধার পিঠে (আরোহী অবস্থায়) সামনের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন। অর্থাৎ কিবলাহর বাম দিকে মুখ করে। তখন তাঁকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনাকে তো দেখলাম কিবলা ছাড়া অন্য দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছেন? তিনি বললেন, যদি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এমন করতে না দেখতাম, তবে আমিও তা করতাম না।
১১০১
সালাত ক্বাসর করা সফরকালে ফরয সালাতের আগে ও পরে নফল সালাত আদায় না করা
হাফস ইবনু ‘আসিম
হাফস ইবনু ‘আসিম হতে বর্ণিত যে, ইবনু ‘উমার (রাযি.) একবার সফর করেন এবং বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে থেকেছি, সফরে তাঁকে নফল সালাত আদায় করতে দেখিনি এবং আল্লাহ্ তা‘আলা ইরশাদ করেছেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’’ (সূরাহ্ আল-আহযাব ৩৩/২১১)
১১০২
সালাত ক্বাসর করা সফরকালে ফরয সালাতের আগে ও পরে নফল সালাত আদায় না করা
হাফস ইবনু ‘আসিম (রহ.)
হাফস ইবনু ‘আসিম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাযি.)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম, তিনি সফরে দু’ রাক‘আতের অধিক আদায় করতেন না। আবূ বকর, ‘উমার ও ‘উসমান (রাযি.)-এর এ রীতি ছিল।
১১০৩
সালাত ক্বাসর করা সফরে ফরয সালাতের পূর্বে ও পরে নফল আদায় করা
ইবনু আবূ লায়লাহ (রহ.)
ইবনু আবূ লায়লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। উম্মু হানী (রাযি.) ব্যতীত অন্য কেউ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে সালাতুয্ যুহা (পূর্বাহ্নের সালাত) আদায় করতে দেখেছেন বলে আমাদের জানাননি। তিনি [উম্মু হানী (রাযি.)] বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন তাঁর ঘরে গোসল করার পর আট রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। আমি তাঁকে এর চেয়ে সংক্ষিপ্তভাবে কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি, তবে তিনি রুকূ’ ও সিজদা্ পূর্ণভাবে আদায় করেছিলেন।
১১০৪
সালাত ক্বাসর করা সফরে ফরয সালাতের পূর্বে ও পরে নফল আদায় করা
আমির ইবনু রাবী‘আহ (রাযি.)
আমির ইবনু রাবী‘আহ (রাযি.) থেকে বর্ণিত। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে রাতের বেলা সফরে বাহনের পিঠে বাহনের গতিপথ অভিমুখী হয়ে নফল সালাত আদায় করতে দেখেছেন।
১১০৫
সালাত ক্বাসর করা সফরে ফরয সালাতের পূর্বে ও পরে নফল আদায় করা
ইবনু ‘উমার (রাযি.)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সফরে) তাঁর বাহনের পিঠে এর গতিপথ অভিমুখী হয়ে মাথার দ্বারা ইঙ্গিত করে নফল সালাত আদায় করতেন। আর ইবনু ‘উমার (রাযি.)ও তা করতেন।
১১০৬
সালাত ক্বাসর করা সফর অবস্থায় মাগরিব ও ‘ইশা সালাত জমা‘ করা।
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ)
সালিম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দ্রুত সফর করতেন, তখন মাগরিব ও ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন।
১১০৭
সালাত ক্বাসর করা সফর অবস্থায় মাগরিব ও ‘ইশা সালাত জমা‘ করা।
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সফরে দ্রুত চলার সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসরের সালাত একত্রে আদায় করতেন আর মাগরিব ‘ইশা একত্রে আদায় করতেন।
১১০৮
সালাত ক্বাসর করা সফর অবস্থায় মাগরিব ও ‘ইশা সালাত জমা‘ করা।
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.)
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরকালে মাগরিব ও ‘ইশার সালাত একত্রে আদায় করতেন এবং ‘আলী ইবনু মুবারাক ও হারব (রহ.) ....আনাস (রাযি.) হতে হাদীস বর্ণনায় হুসায়ন (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একত্রে আদায় করেছেন।