৩৪৯৯
মোট হাদিস
৩৪৯৯
দেখানো হচ্ছে
৬৪
অধ্যায়
৮৯৯
বর্ণনাকারী
২৫/৩৫০
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৩৪৯৯
২৪১
উযূ থুথু, নাকের শিকনি ইত্যাদি কাপড়ে লেগে যাওয়া।
আনাস (রাযি.)
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা তাঁর কাপড়ে থুথু ফেললেন। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন যে, ইবনু আবূ মারইয়াম এ হাদীসটি বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন।
২৪২
উযূ নাবীয (খেজুর, কিসমিস, মনাক্কা, ইত্যাদি ভিজানো পানি) এবং নেশার উদ্রেককারী পানীয় দ্বারা উযূ করা না-জায়িয।
আয়িশাহ (রাযি.)
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম।
২৪৩
উযূ পিতার মুখমন্ডল হতে কন্যা কর্তৃক রক্ত ধুয়ে ফেলা।
আবূ হাযিম
আবূ হাযিম বলেন যে, যখন আমার এবং সাহল ইবনু সা’দ আস-সা’ঈদী (রাযি.)-র মাঝখানে কেউ ছিল না, তখন লোকে তার নিকট আরয করলঃ (উহুদ যুদ্ধে) কী দিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যখমের চিকিৎসা করা হয়েছিল? তখন তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমার চেয়ে অধিক জানে এমন কেউ জীবিত নেই। ’আলী (রাযি.) তাঁর ঢালে করে পানি আনছিলেন আর ফাতিমাহ্ (রাযি.) তাঁর মুখমন্ডল হতে রক্ত ধুয়ে দিলেন। অবশেষে চাটাই পুড়িয়ে (তার ছাই) তাঁর ক্ষতস্থানে দেয়া হল।
২৪৪
উযূ মিসওয়াক করা।
আবূ মূসা (রাযি.)
আবূ বুরদাহ (রহ.)-র পিতা [আবূ মূসা [রাঃ] হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এলাম। তখন তাঁকে দেখলাম তিনি মিসওয়াক করছেন এবং মিসওয়াক মুখে দিয়ে তিনি উ’ উ’ শব্দ করছেন যেন তিনি বমি করছেন।
২৪৫
উযূ মিসওয়াক করা।
হুযাইফা (রাঃ)
হুযায়ফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে (সালাতের জন্য) উঠতেন তখন মিসওয়াক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতেন।
২৪৬
উযূ বয়সে বড় ব্যক্তিকে মিসওয়াক প্রদান করা।
ইবনু উমার (রাযি.)
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি (স্বপ্নে) দেখলাম যে, আমি মিসওয়াক করছি। আমার নিকট দু’ ব্যক্তি এলেন। একজন অপরজন হতে বয়সে বড়। অতঃপর আমি তাদের মধ্যে কনিষ্ঠ ব্যক্তিকে মিসওয়াক দিতে গেলে আমাকে বলা হলো, ‘বড়কে দাও’। তখন আমি তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে দিলাম। আবূ ‘আবদুল্লাহ বলেন, ‘নু‘আয়ম, ইবনুল মুবারাক সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে হাদীসটি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।
২৪৭
উযূ উযূ সহ রাতে ঘুমাবার ফযীলত।
বারাআ ইবনু আযিব (রাযি.)
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন সালাতের উযূর মতো উযূ করে নেবে। তারপর ডান পাশে শুয়ে বলবেঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমার জীবন আপনার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার সকল কাজ তোমার নিকট অর্পণ করলাম এবং আমি তোমার আশ্রয় গ্রহণ করলাম তোমার প্রতি আগ্রহ ও ভয় নিয়ে। তুমি ব্যতীত প্রকৃত কোন আশ্রয়স্থল ও পরিত্রাণের স্থান নেই। হে আল্লাহ! আমি ঈমান আনলাম তোমার অবতীর্ণ কিতাবের উপর এবং তোমার প্রেরিত নবীর প্রতি।’’ অতঃপর যদি সে রাতেই তোমার মৃত্যু হয় তবে ইসলামের উপর তোমার মৃত্যু হবে। এ কথাগুলো তোমার সর্বশেষ কথায় পরিণত কর। তিনি বলেন, ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এ কথাগুলো পুনরায় শুনালাম। যখন اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ পর্যন্ত পৌঁছে وَرَسُولِكَ বললাম, তখন তিনি বললেনঃ না; বরং وَنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ বল।
২৪৮
গোসল গোসলের পূর্বে উযূ করা।
আয়িশাহ (রাযি.)
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু’টো ধুয়ে নিতেন। অতঃপর সালাতের উযূর মত উযূ করতেন। অতঃপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অতঃপর তাঁর উভয় হাতের তিন আজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি ঢেলে দিতেন।
২৪৯
গোসল গোসলের পূর্বে উযূ করা।
মাইমূনাহ্ (রাযি.)
মাইমূনাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের উযূর ন্যায় উযূ করলেন, পা দুটো ব্যতীত এবং তাঁর লজ্জাস্থান ও যে যে স্থানে নোংরা লেগেছে তা ধুয়ে নিলেন। অতঃপর নিজের উপর পানি ঢেলে দেন। অতঃপর সেখান হতে সরে গিয়ে পা দু’টো ধুয়ে নেন। এই ছিল তাঁর জানাবাতের গোসল।
২৫০
গোসল স্বামী-স্ত্রীর এক সাথে গোসল।
আয়িশাহ (রাযি.)
আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র (কাদাহ) হতে (পানি নিয়ে) গোসল করতাম। সেই পাত্রকে ফারাক বলা হতো।