৩৫০০
মোট হাদিস
৩৫০০
দেখানো হচ্ছে
৬৪
অধ্যায়
৮৯৯
বর্ণনাকারী
১৫৪/৩৫০
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৩৫০০
১৫৩১
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) যাতু ‘ইর্ক হল ইরাকবাসীদের মীকাত।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ শহর দু’টি (কূফা ও বস্রা) বিজিত হলো, তখন সে স্থানের লোকগণ ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট এসে নিবেদন করলো, হে আমীরুল মু’মিনীন! আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদবাসীগণের জন্য (মীকাত হিসেবে) সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন ক্বারণ, কিন্তু তা আমাদের পথ হতে দূরে। কাজেই আমরা ক্বারণ-সীমা অতিক্রম করতে চাইলে তা হবে আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা‘ হলে তোমরা লক্ষ্য কর তোমাদের পথে ক্বারণ-এর সম দূরত্বরেখা কোন্ স্থানটি? অতঃপর তিনি ‘‘যাতু ‘ইরক্ব’’ মীকাতরূপে নির্ধারণ করেছেন।
১৫৩২
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) পরিচ্ছেদ নাই।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল-হুলাইফার বাত্হা নামক উপত্যকায় উট বসিয়ে সালাত আদায় করেন। (রাবী নাফি‘ বলেন) ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও তাই করতেন।
১৫৩৩
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (হজ্জের সফরে) ‘শাজারা’-এর রাস্তা দিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মদীনাহ হতে গমন
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হাজ্জের সফরে) শাজারা নামক পথ দিয়ে গমন করতেন এবং মু‘আররাস নামক পথ দিয়ে (মদিনা্য়) প্রবেশ করতেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার দিকে সফর করতেন, মাসজিদুশ-শাজারায় সালাত আদায় করতেন ও ফিরার পথে যুল-হুলাইফাহ’র বাত্নুল-ওয়াদীতে সালাত আদায় করতেন এবং সেখানে সকাল পর্যন্ত রাত যাপন করতেন।
১৫৩৪
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীঃ ‘আকীক বরকতপূর্ণ উপত্যকা।
উমার (রাঃ)
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আকীক উপত্যকায় অবস্থানকালে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ আজ রাতে আমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে একজন আগন্তুক আমার নিকট এসে বললেন, আপনি এই বরকতময় উপত্যকায় সালাত আদায় করুন এবং বলুন, (আমার এ ইহরাম) হাজ্জের সাথে ‘উমরাহ’রও।
১৫৩৫
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীঃ ‘আকীক বরকতপূর্ণ উপত্যকা।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, যুল-হুলাইফা (‘আকীক) উপত্যকায় রাত যাপনকালে তাঁকে স্বপ্নযোগে বলা হয়, আপনি বরকতময় উপত্যকায় অবস্থান করছেন। [রাবী মূসা ইবনু ‘উকবা (রহ.) বলেন] সালিম (রহ.) আমাদেরকে সাথে নিয়ে উট বসিয়ে ঐ উট বসাবার স্থানটির খোঁজ করেন, যেখানে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) উট বসিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর রাত যাপনের স্থানটি খোঁজ করতেন। সে স্থানটি উপত্যকায় মসজিদের নীচু জায়গায় অবতরণকারীদের ও রাস্তার একেবারে মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
১৫৩৬
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (ইহরামের) কাপড়ে খালুক বা সুগন্ধি লেগে থাকলে
সাফ্ওয়ান ইবনু ই‘য়ালা (রহ.)
সাফ্ওয়ান ইবনু ই‘য়ালা (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ই‘য়ালা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ওয়াহী অবতরণ মুহূর্তটি আমাকে দেখাবেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘জি’রানা’ নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন, তাঁর সঙ্গে কিছু সংখ্যক সাহাবী ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কোন ব্যক্তি সুগন্ধিযুক্ত পোশাক পরে ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধলে তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষণ নীরব রইলেন। এরপর তাঁর নিকট ওহী আসল। ‘উমার (রাঃ) ই‘য়ালা (রাঃ)-কে ইঙ্গিত করায় তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। তখন একখন্ড কাপড় দিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’র উপর ছায়া করা হয়েছিল, ই‘য়ালা (রাঃ) মাথা প্রবেশ করিয়ে দেখতে পেলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মুখমন্ডল লাল বর্ণ, তিনি সজোরে শ্বাস গ্রহণ করছেন। এরপর সে অবস্থা দূর হলো। তিনি বললেনঃ ‘উমরাহ সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? প্রশ্নকারীকে উপস্থিত করা হলে তিনি বললেনঃ তোমার শরীরের সুগন্ধি তিনবার ধুয়ে ফেল ও জুববাটি খুলে ফেল এবং হাজ্জে যা করে থাক ‘উমরাহতেও তাই কর। (রাবী ইবনু জুরাইজ বলেন) আমি ‘আত্বা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তিনবার ধোয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি কি উত্তমরূপে পরিষ্কার করা বুঝিয়েছেন? তিনি বললেন, হাঁ, তাই।
১৫৩৭
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ইহরাম বাঁধাকালে সুগন্ধি ব্যবহার ও কোন্ প্রকার কাপড় পরে ইহরাম বাঁধবে এবং চুল দাড়ি আঁচড়াবে ও তেল ব্যবহার করবে।
সা‘ঈদ ইবনু জুবাইর (রহ.)
সা‘ঈদ ইবনু জুবাইর (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) (ইহরাম বাঁধা অবস্থায়) যায়তুন তেল ব্যবহার করতেন। (রাবী মানসুর বলেন) এ বিষয় আমি ইব্রাহীম (রহ.)-এর নিকট পেশ করলে তিনি বললেন, তাঁর কথায় তোমার কী দরকার।
১৫৩৮
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ইহরাম বাঁধাকালে সুগন্ধি ব্যবহার ও কোন্ প্রকার কাপড় পরে ইহরাম বাঁধবে এবং চুল দাড়ি আঁচড়াবে ও তেল ব্যবহার করবে।
আয়িশাহ্ (রাযি.)
আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, ইহরাম বাঁধা অবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সিঁথিতে যে সুগন্ধি তেল চকচক করছিল তা যেন আজও আমি দেখতে পাচ্ছি।
১৫৩৯
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ইহরাম বাঁধাকালে সুগন্ধি ব্যবহার ও কোন্ প্রকার কাপড় পরে ইহরাম বাঁধবে এবং চুল দাড়ি আঁচড়াবে ও তেল ব্যবহার করবে।
আয়িশাহ্ (রাযি.)
নবী সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইহরাম বাঁধার সময় [1] আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর গায়ে সুগন্ধি মেখে দিতাম এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পূর্বে ইহরাম খুলে ফেলার সময়ও।
১৫৪০
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) যে চুলে আঠালো বস্তু লাগিয়ে ইহরাম বাঁধে।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে চুলে আঠালো বস্তু লাগিয়ে ইহরাম বেঁধে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি।