নীড়
কুরআন
হাদিস
বুখারী
মুসলিম
তিরমিজি
আবু দাউদ
দোয়া
কুরআনের দোয়া
হাদিসের দোয়া
সার্চ
কুরআন
হাদিস নং
হাদিস কী ওয়ার্ড
হাদিস বর্ণনাকারী
অন্যান্য
আদেশ-নিষেধ
আল্লাহর নামসমূহ
Online: 1
187
Likes
Like Us
Thank You!
بِسْمِ ٱللّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহ্র নামে, যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
--সকল সূরা-- (১১৪)
১. আল-ফাতিহা (৬)
২. আল-বাকারা (২৮৬)
৩. আল-ইমরান (২০০)
৪. আন-নিসা (১৭৬)
৫. আল-মায়েদা (১২০)
৬. আল-আন’আম (১৬৫)
৭. আল-আ’রাফ (২০৬)
৮. আল-আনফাল (৭৫)
৯. আত-তাওবা (১২৯)
১০. ইউনুস (১০৯)
১১. হূদ (১২৩)
১২. ইউসুফ (১১১)
১৩. আর-রাদ (৪৩)
১৪. ইব্রাহীম (৫২)
১৫. আল-হিজর (৯৯)
১৬. আন-নাহাল (১২৯)
১৭. আল-ইসরা (বনী-ইসরাঈল) (১১১)
১৮. আল-কাহফ (১১০)
১৯. মারইয়াম (৯৮)
২০. ত্ব-হা (১৩৫)
২১. আল-আম্বিয়া (১১২)
২২. আল-হজ্জ (৭৮)
২৩. আল-মুমিনুন (১১৮)
২৪. আন-নূর (৬৪)
২৫. আল-ফুরকান (৭৭)
২৬. আশ-শুআরা (২২৭)
২৭. আন-নামাল (৯৩)
২৮. আল-কাসাস (৮৮)
২৯. আল-আনকাবূত (৬৯)
৩০. আর-রুম (৬০)
৩১. লুকমান (৩৪)
৩২. আস-সাজদাহ (৩০)
৩৩. আল-আহযাব (৭৩)
৩৪. সাবা (৫৪)
৩৫. ফাতির (৪৫)
৩৬. ইয়াসীন (৮৩)
৩৭. আস-সাফফাত (১৮২)
৩৮. সোয়াদ (৮৮)
৩৯. আয-যুমার (৭৫)
৪০. গাফির (৮৫)
৪১. আল-ফুসসিলাত (৫৪)
৪২. আশ-শূরা (৫৩)
৪৩. আয-যুখরুফ (৮৯)
৪৪. আদ-দুখান (৫৯)
৪৫. আল-জাসিয়া (৩৭)
৪৬. আল-আহকাফ (৩৫)
৪৭. মুহাম্মাদ (৩৮)
৪৮. আল-ফাতহ (২৯)
৪৯. আল-হুজুরাত (১৮)
৫০. কাফ (৪৫)
৫১. আয-যারিয়াত (৬০)
৫২. আত-তূর (৪৯)
৫৩. আন-নাজম (৬২)
৫৪. আল-কামার (৫৫)
৫৫. আর-রাহমান (৭৮)
৫৬. আল-ওয়াকিয়া (৯৬)
৫৭. আল-হাদীদ (২৯)
৫৮. আল-মুজাদালা (২২)
৫৯. আল-হাশর (২৪)
৬০. আল-মুমতাহিনা (১৩)
৬১. আস-সফ (১৪)
৬২. আল-জুমুআ (১১)
৬৩. আল-মুনাফিকূন (১১)
৬৪. আত-তাগাবুন (১৮)
৬৫. আত-ত্বলাক্ব (১২)
৬৬. আত-তাহরীম (১২)
৬৭. আল-মুলক (৩০)
৬৮. আল-কলম (৫২)
৬৯. আল-হাক্কাহ (৫২)
৭০. আল-মাআরিজ (৪৪)
৭১. নূহ (২৮)
৭২. আল-জ্বিন (২৮)
৭৩. আল-মুযযাম্মিল (২০)
৭৪. আল-মুদ্দাসসির (৫৬)
৭৫. আল-ক্বিয়ামাহ (৪০)
৭৬. আল-ইনসান (আদ-দাহর) (৩১)
৭৭. আল-মুরসালাত (৫০)
৭৮. আন-নাবা (৪০)
৭৯. আন-নাযিআত (৪৬)
৮০. আবাসা (৪২)
৮১. আত-তাকভীর (২৯)
৮২. আল-ইনফিতার (১৯)
৮৩. আল-মুতাফফিফীন (৩৬)
৮৪. আল-ইনশিকাক (২৫)
৮৫. আল-বুরুজ (২২)
৮৬. আত-তারিক (১৭)
৮৭. আল-আলা (১৯)
৮৮. আল-গাশিয়া (২৬)
৮৯. আল-ফাজর (৩০)
৯০. আল-বালাদ (২০)
৯১. আশ-শামস (১৫)
৯২. আল-লাইল (২১)
৯৩. আদ-দুহা (১১)
৯৪. আল-ইনশিরাহ (৮)
৯৫. আত-ত্বীন (৮)
৯৬. আল-আলাক (১৯)
৯৭. আল-কাদর (৫)
৯৮. আল-বায়্যিনাহ (৮)
৯৯. আয-যিলযাল (৮)
১০০. আল-আদিয়াত (১১)
১০১. আল-কারিআ (১১)
১০২. আত-তাকাসুর (৮)
১০৩. আল-আসর (৩)
১০৪. আল-হুমাযা (৯)
১০৫. আল-ফীল (৫)
১০৬. আল-কুরাইশ (৪)
১০৭. আল-মাঊন (৭)
১০৮. আল-কাউসার (৩)
১০৯. কাফিরুন (৬)
১১০. আন-নাসর (৩)
১১১. আল-মাসাদ (লাহাব) (৫)
১১২. আল-ইখলাস (৪)
১১৩. আল-ফালাক (৫)
১১৪. আন-নাস (৬)
--আয়াত নং--
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০
৩১
৩২
৩৩
৩৪
৩৫
৩৬
৩৭
৩৮
৩৯
৪০
৪১
৪২
৪৩
৪৪
৪৫
৪৬
৪৭
৪৮
৪৯
৫০
৫১
৫২
৫৩
৫৪
৫৫
৫৬
৫৭
৫৮
৫৯
৬০
৬১
৬২
৬৩
৬৪
৬৫
৬৬
৬৭
৬৮
৬৯
৭০
৭১
৭২
৭৩
৭৪
৭৫
৭৬
৭৭
৭৮
৭৯
৮০
৮১
৮২
৮৩
৮৪
৮৫
৮৬
৮৭
৮৮
৮৯
৯০
৯১
৯২
৯৩
৯৪
৯৫
৯৬
৯৭
৯৮
৯৯
১০০
১০১
১০২
১০৩
১০৪
১০৫
১০৬
১০৭
১০৮
১০৯
১১০
১১১
১১২
১১৩
১১৪
১১৫
১১৬
১১৭
১১৮
১১৯
১২০
১২১
১২২
১২৩
১২৪
১২৫
১২৬
১২৭
১২৮
১২৯
১৩০
১৩১
১৩২
১৩৩
১৩৪
১৩৫
১৩৬
১৩৭
১৩৮
১৩৯
১৪০
১৪১
১৪২
১৪৩
১৪৪
১৪৫
১৪৬
১৪৭
১৪৮
১৪৯
১৫০
১৫১
১৫২
১৫৩
১৫৪
১৫৫
১৫৬
১৫৭
১৫৮
১৫৯
১৬০
১৬১
১৬২
১৬৩
১৬৪
১৬৫
১৬৬
১৬৭
১৬৮
১৬৯
১৭০
১৭১
১৭২
১৭৩
১৭৪
১৭৫
১৭৬
১৭৭
১৭৮
১৭৯
১৮০
১৮১
১৮২
১৮৩
১৮৪
১৮৫
১৮৬
১৮৭
১৮৮
১৮৯
১৯০
১৯১
১৯২
১৯৩
১৯৪
১৯৫
১৯৬
১৯৭
১৯৮
১৯৯
২০০
২০১
২০২
২০৩
২০৪
২০৫
২০৬
২০৭
২০৮
২০৯
২১০
২১১
২১২
২১৩
২১৪
২১৫
২১৬
২১৭
২১৮
২১৯
২২০
২২১
২২২
২২৩
২২৪
২২৫
২২৬
২২৭
২২৮
২২৯
২৩০
২৩১
২৩২
২৩৩
২৩৪
২৩৫
২৩৬
২৩৭
২৩৮
২৩৯
২৪০
২৪১
২৪২
২৪৩
২৪৪
২৪৫
২৪৬
২৪৭
২৪৮
২৪৯
২৫০
২৫১
২৫২
২৫৩
২৫৪
২৫৫
২৫৬
২৫৭
২৫৮
২৫৯
২৬০
২৬১
২৬২
২৬৩
২৬৪
২৬৫
২৬৬
২৬৭
২৬৮
২৬৯
২৭০
২৭১
২৭২
২৭৩
২৭৪
২৭৫
২৭৬
২৭৭
২৭৮
২৭৯
২৮০
২৮১
২৮২
২৮৩
২৮৪
২৮৫
২৮৬
সূরা, আয়াত নং, অর্থ ও আরবি
৫. আল-মায়েদা - ১০৩
আল্লাহ না বাহীরাহর প্রচলন করেছেন, না সায়েবাহর; না ওয়াছীলার আর না হা‘মীর; কিন্তু যারা কাফির তারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে, আর অধিকাংশই (ধর্ম) জ্ঞান রাখে না।
مَا جَعَلَ اللّٰهُ مِنۡۢ بَحِیۡرَۃٍ وَّ لَا سَآئِبَۃٍ وَّ لَا وَصِیۡلَۃٍ وَّ لَا حَامٍ ۙ وَّ لٰکِنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا یَفۡتَرُوۡنَ عَلَی اللّٰهِ الۡکَذِبَ ؕ وَ اَکۡثَرُهُمۡ لَا یَعۡقِلُوۡنَ
৫. আল-মায়েদা - ১০৪
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘আল্লাহর অবতীর্ণ বিধানসমূহের দিকে এসো এবং রাসূলের দিকে’ তখন তারা বলেঃ আমাদের জন্য ওটাই যথেষ্ট যার উপর আমরা আমাদের পূর্ব-পুরুষদেরকে পেয়েছি; যদিও তাদের পূর্ব-পুরুষরা না কোন জ্ঞান রাখতো, আর না হিদায়াত প্রাপ্ত ছিল। তবুও কি তারা তাই করবে?
وَ اِذَا قِیۡلَ لَهُمۡ تَعَالَوۡا اِلٰی مَاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ وَ اِلَی الرَّسُوۡلِ قَالُوۡا حَسۡبُنَا مَا وَجَدۡنَا عَلَیۡهِ اٰبَآءَنَا ؕ اَوَ لَوۡ کَانَ اٰبَآؤُهُمۡ لَا یَعۡلَمُوۡنَ شَیۡئًا وَّ لَا یَهۡتَدُوۡنَ
৫. আল-মায়েদা - ১০৫
হে মু’মিনগণ! তোমাদের (সংশোধন করার) দায়িত্ব তোমাদের, যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে তারা তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবেনা যদি তোমরা দীনের পথে চল; তোমরা সবাই আল্লাহরই সমীপে প্রত্যাবর্তিত হবে, অতঃপর তোমরা যা কিছু করছিলে সে সম্পর্কে তিনি তোমাদেরকে অবহিত করবেন।
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا عَلَیۡکُمۡ اَنۡفُسَکُمۡ ۚ لَا یَضُرُّکُمۡ مَّنۡ ضَلَّ اِذَا اهۡتَدَیۡتُمۡ ؕ اِلَی اللّٰهِ مَرۡجِعُکُمۡ جَمِیۡعًا فَیُنَبِّئُکُمۡ بِمَا کُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ
৫. আল-মায়েদা - ১০৬
হে মু’মিনগণ! যখন তোমাদের মধ্যে কারও মৃত্যু আসন্ন হয় তখন অসীয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন লোক সাক্ষী থাকা সঙ্গত। এই দু’ব্যক্তি হবে দীনদার এবং তোমাদের মধ্য হতে; অথবা ভিন্ন সম্প্রদায় হতে দু’জন হবে, যদি তোমরা সফরে থাক এবং ঐ অবস্থায় মৃত্যু তোমাদের উপর উপস্থিত হয়; যদি তোমাদের সন্দেহ হয় তাহলে ওসীদ্বয়কে সালাতের (জামা‘আতের) পর রুখে নাও, অতঃপর তারা আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে, আমরা এই শপথের বিনিময়ে কোন স্বার্থ ভোগ করবনা যদি আত্মীয়ও হয়; আর আল্লাহর সাক্ষ্য প্রমাণকে আমরা গোপন করবনা, (যদি এরূপ করি) এমতাবস্থায় আমরা ভীষণ পাপী হব।
یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا شَهَادَۃُ بَیۡنِکُمۡ اِذَا حَضَرَ اَحَدَکُمُ الۡمَوۡتُ حِیۡنَ الۡوَصِیَّۃِ اثۡنٰنِ ذَوَا عَدۡلٍ مِّنۡکُمۡ اَوۡ اٰخَرٰنِ مِنۡ غَیۡرِکُمۡ اِنۡ اَنۡتُمۡ ضَرَبۡتُمۡ فِی الۡاَرۡضِ فَاَصَابَتۡکُمۡ مُّصِیۡبَۃُ الۡمَوۡتِ ؕ تَحۡبِسُوۡنَهُمَا مِنۡۢ بَعۡدِ الصَّلٰوۃِ فَیُقۡسِمٰنِ بِاللّٰهِ اِنِ ارۡتَبۡتُمۡ لَا نَشۡتَرِیۡ بِهٖ ثَمَنًا وَّ لَوۡ کَانَ ذَا قُرۡبٰی ۙ وَ لَا نَکۡتُمُ شَهَادَۃَ ۙ اللّٰهِ اِنَّاۤ اِذًا لَّمِنَ الۡاٰثِمِیۡنَ
৫. আল-মায়েদা - ১০৭
অতঃপর যদি জানা যায় যে, ওসীদ্বয় কোন পাপে জড়িত হয়ে পড়েছিল তাদের মধ্য হতে (মৃতের) সর্বাপেক্ষা নিকটতম অপর দু’ব্যক্তি তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে, অতঃপর উভয়ে (এরূপে) আল্লাহর নামে শপথ করে বলবেঃ নিশ্চয়ই আমাদের এই শপথ তাদের শপথ অপেক্ষা অধিক সত্য এবং আমরা বিন্দুমাত্র ব্যতিক্রম করিনি, (যদি করি তাহলে) এমতাবস্থায় যালিমদের অন্তর্ভুক্ত হব।
فَاِنۡ عُثِرَ عَلٰۤی اَنَّهُمَا اسۡتَحَقَّاۤ اِثۡمًا فَاٰخَرٰنِ یَقُوۡمٰنِ مَقَامَهُمَا مِنَ الَّذِیۡنَ اسۡتَحَقَّ عَلَیۡهِمُ الۡاَوۡلَیٰنِ فَیُقۡسِمٰنِ بِاللّٰهِ لَشَهَادَتُنَاۤ اَحَقُّ مِنۡ شَهَادَتِهِمَا وَ مَا اعۡتَدَیۡنَاۤ ۫ۖ اِنَّاۤ اِذًا لَّمِنَ الظّٰلِمِیۡنَ
৫. আল-মায়েদা - ১০৮
এটাই এ বিষয়ে অতীব সহজ পন্থা যে, তারা ঘটনা যথাযথভাবে প্রকাশ করে দিবে, অথবা এই ভয় করবে যে, তাদের শপথ গ্রহণ করার পর (পুনঃ) শপথ করানো হবে; আল্লাহকে ভয় কর এবং (বিধানসমূহ) শ্রবণ কর, আর আল্লাহ ফাসিকদেরকে পথ দেখাবেননা।
ذٰلِکَ اَدۡنٰۤی اَنۡ یَّاۡتُوۡا بِالشَّهَادَۃِ عَلٰی وَجۡهِهَاۤ اَوۡ یَخَافُوۡۤا اَنۡ تُرَدَّ اَیۡمَانٌۢ بَعۡدَ اَیۡمَانِهِمۡ ؕ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ وَ اسۡمَعُوۡا ؕ وَ اللّٰهُ لَا یَهۡدِی الۡقَوۡمَ الۡفٰسِقِیۡنَ
৫. আল-মায়েদা - ১০৯
যে দিন আল্লাহ সমস্ত রাসূলদেরকে সমবেত করবেন, অতঃপর বলবেনঃ তোমরা (উম্মাতদের নিকট থেকে) কি উত্তর পেয়েছিলে? তারা বলবেঃ (তাদের অন্তরের কথা) আমাদের কিছুই জানা নেই; নিশ্চয়ই আপনি সমস্ত গোপনীয় বিষয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞাত।
یَوۡمَ یَجۡمَعُ اللّٰهُ الرُّسُلَ فَیَقُوۡلُ مَا ذَاۤ اُجِبۡتُمۡ ؕ قَالُوۡا لَا عِلۡمَ لَنَا ؕ اِنَّکَ اَنۡتَ عَلَّامُ الۡغُیُوۡبِ
৫. আল-মায়েদা - ১১০
যখন আল্লাহ বলবেনঃ হে ঈসা ইবনে মারইয়াম! আমার অনুগ্রহ স্মরণ কর যা তোমার উপর ও তোমার মাতার উপর (প্রদত্ত) হয়েছে। যখন আমি তোমাকে রূহুল কুদুস দ্বারা সাহায্য করেছি, (এবং) তুমি মানুষের সাথে (মাতার) ক্রোধের কথা বলেছ এবং পৌঁঢ় বয়সেও; আর যখন আমি তোমাকে কিতাবসমূহ, প্রগাঢ় জ্ঞান এবং তাওরাত ও ইঞ্জীল শিক্ষা দিয়েছি এবং যখন তুমি আমার আদেশে মাটি দ্বারা পাখীর আকৃতি সদৃশ এক আকৃতি প্রস্তুত করেছিলে, অতঃপর তুমি ওতে ফুৎকার দিলে, যার ফলে ওটা আমার আদেশে পাখী হয়ে যেত, আর তুমি আমার আদেশে জন্মান্ধ ও কুষ্ঠ রোগী নিরাময় করে দিতে আর যখন তুমি আমার আদেশে মৃতদেরকে বের করে দাঁড় করাতে, আর যখন আমি বানী ইসরাঈলকে (তোমাকে হত্যা করা হতে) নিবৃত্ত রেখেছি যখন তুমি তাদের কাছে (স্বীয় নবুওয়াতের) প্রমাণাদী নিয়ে হাজির হয়েছিলে, অতঃপর তাদের মধ্যে যারা কাফির ছিল তারা বলেছিলঃ এটা (মু’জিযাসমূহ) স্পষ্ট যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়।
اِذۡ قَالَ اللّٰهُ یٰعِیۡسَی ابۡنَ مَرۡیَمَ اذۡکُرۡ نِعۡمَتِیۡ عَلَیۡکَ وَ عَلٰی وَالِدَتِکَ ۘ اِذۡ اَیَّدۡتُّکَ بِرُوۡحِ الۡقُدُسِ ۟ تُکَلِّمُ النَّاسَ فِی الۡمَهۡدِ وَ کَهۡلًا ۚ وَ اِذۡ عَلَّمۡتُکَ الۡکِتٰبَ وَ الۡحِکۡمَۃَ وَ التَّوۡرٰىۃَ وَ الۡاِنۡجِیۡلَ ۚ وَ اِذۡ تَخۡلُقُ مِنَ الطِّیۡنِ کَهَیۡـَٔۃِ الطَّیۡرِ بِاِذۡنِیۡ فَتَنۡفُخُ فِیۡهَا فَتَکُوۡنُ طَیۡرًۢا بِاِذۡنِیۡ وَ تُبۡرِیٴُ الۡاَکۡمَهَ وَ الۡاَبۡرَصَ بِاِذۡنِیۡ ۚ وَ اِذۡ تُخۡرِجُ الۡمَوۡتٰی بِاِذۡنِیۡ ۚ وَ اِذۡ کَفَفۡتُ بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ عَنۡکَ اِذۡ جِئۡتَهُمۡ بِالۡبَیِّنٰتِ فَقَالَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا مِنۡهُمۡ اِنۡ هٰذَاۤ اِلَّا سِحۡرٌ مُّبِیۡنٌ
৫. আল-মায়েদা - ১১১
আর যখন আমি হাওয়ারীদেরকে আদেশ করলামঃ আমার প্রতি এবং আমার রাসূলের প্রতি ঈমান আন তখন তারা বললঃ আমরা ঈমান আনলাম এবং আপনি সাক্ষী থাকুন যে, আমরা মুসলিম।
وَ اِذۡ اَوۡحَیۡتُ اِلَی الۡحَوَارِیّٖنَ اَنۡ اٰمِنُوۡا بِیۡ وَ بِرَسُوۡلِیۡ ۚ قَالُوۡۤا اٰمَنَّا وَ اشۡهَدۡ بِاَنَّنَا مُسۡلِمُوۡنَ
৫. আল-মায়েদা - ১১২
যখন হাওয়ারীরা বললঃ হে ঈসা ইবনে মারইয়াম! আপনার রাব্ব কি এরূপ করতে পারেন যে, আমাদের জন্য আকাশ হতে কিছু খাদ্য প্রেরণ করেন? ঈসা বললঃ আল্লাহকে ভয় কর যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক।
اِذۡ قَالَ الۡحَوَارِیُّوۡنَ یٰعِیۡسَی ابۡنَ مَرۡیَمَ هَلۡ یَسۡتَطِیۡعُ رَبُّکَ اَنۡ یُّنَزِّلَ عَلَیۡنَا مَآئِدَۃً مِّنَ السَّمَآءِ ؕ قَالَ اتَّقُوا اللّٰهَ اِنۡ کُنۡتُمۡ مُّؤۡمِنِیۡنَ
« প্রথম
পূর্ববর্তী
76
77
78
79
80
পরবর্তী
শেষ »