بِسْمِ ٱللّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে, যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সূরা, আয়াত নং, অর্থ ও আরবি
২৬. আশ-শুআরা - ১৮৯
অতঃপর তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করল, পরে তাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিনের শাস্তি গ্রাস করল; এটাতো ছিল এক ভীষণ দিনের শাস্তি।
فَکَذَّبُوۡهُ فَاَخَذَهُمۡ عَذَابُ یَوۡمِ الظُّلَّۃِ ؕ اِنَّهٗ کَانَ عَذَابَ یَوۡمٍ عَظِیۡمٍ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯০
এতে অবশ্যই রয়েছে নিদর্শন, কিন্তু তাদের অধিকাংশই মু’মিন নয়।
اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیَۃً ؕ وَ مَا کَانَ اَکۡثَرُهُمۡ مُّؤۡمِنِیۡنَ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯১
তোমার রাব্ব! তিনিতো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
وَ اِنَّ رَبَّکَ لَهُوَ الۡعَزِیۡزُ الرَّحِیۡمُ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯২
নিশ্চয়ই ইহা (আল কুরআন) জগতসমূহের রাব্ব হতে অবতারিত।
وَ اِنَّهٗ لَتَنۡزِیۡلُ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯৩
জিবরাঈল ইহা নিয়ে অবতরণ করেছে –
نَزَلَ بِهِ الرُّوۡحُ الۡاَمِیۡنُ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯৪
তোমার হৃদয়ে, যাতে তুমি সতর্ককারী হতে পার।
عَلٰی قَلۡبِکَ لِتَکُوۡنَ مِنَ الۡمُنۡذِرِیۡنَ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯৫
অবতীর্ণ করা হয়েছে সুস্পষ্ট আরাবী ভাষায়।
بِلِسَانٍ عَرَبِیٍّ مُّبِیۡنٍ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯৬
পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে অবশ্যই এর উল্লেখ রয়েছে।
وَ اِنَّهٗ لَفِیۡ زُبُرِ الۡاَوَّلِیۡنَ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯৭
বানী ইসরাঈলের পন্ডিতরা এটা অবগত আছে, এটা কি তাদের জন্য নিদর্শন নয়?
اَوَ لَمۡ یَکُنۡ لَّهُمۡ اٰیَۃً اَنۡ یَّعۡلَمَهٗ عُلَمٰٓؤُا بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ
২৬. আশ-শুআরা - ১৯৮
আমি যদি ইহা কোন আজমীর (ভিন্ন ভাষী) প্রতি অবতীর্ণ করতাম –
وَ لَوۡ نَزَّلۡنٰهُ عَلٰی بَعۡضِ الۡاَعۡجَمِیۡنَ