তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

হাদিস সমূহ
বর্ণনাকারী: সবগুলো
হাদিস সংখ্যা: ৩৩৬৫
অধ্যায়: আযান | উপ-অধ্যায়: ফজরের সালাত শেষে নারীদের তাড়াতাড়ি বাড়ীতে প্রত্যাবর্তন করা এবং মসজিদে তাদের স্বল্পকাল অবস্থান করা। | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭২): আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্ধকার থাকতেই ফজরের সালাত আদায় করতেন। অতঃপর মু’মিনদের স্ত্রীগণ চলে যেতেন, অন্ধকারের জন্য তাদের চেনা যেতনা অথবা বলেছেন, অন্ধকারের জন্য তাঁরা একে অপরকে চিনতেন না।
অধ্যায়: আযান | উপ-অধ্যায়: মসজিদে যাওয়ার জন্য স্বামীর নিকট মহিলার সম্মতি চাওয়া। | বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭৩): আবদুল্লাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের কারো স্ত্রী যদি (সালাতের জন্য মসজিদে যাবার) অনুমতি চায় তাহলে তার স্বামী তাকে যেন বাধা না দেয়।
অধ্যায়: আযান | উপ-অধ্যায়: মসজিদে যাওয়ার জন্য স্বামীর নিকট মহিলার সম্মতি চাওয়া। | বর্ণনাকারী: আনাস (ইবনু মালিক) (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭৪): আনাস (ইবনু মালিক) (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মু সুলাইম (রাযি.)-এর ঘরে সালাত আদায় করেন। আমি এবং একটি ইয়াতীম তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম আর উম্মু সুলাইম (রাযি.) আমাদের পিছনে দাঁড়ালেন।
অধ্যায়: আযান | উপ-অধ্যায়: মসজিদে যাওয়ার জন্য স্বামীর নিকট মহিলার সম্মতি চাওয়া। | বর্ণনাকারী: উম্মু সালামাহ (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭৫): উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাম ফিরাতেন, তখন মহিলারা তাঁর সালাম শেষ করার পর উঠে যেতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানোর পূর্বে স্বীয় স্থানে কিছুক্ষণ অবস্থান করতেন। রাবী যুহরী (রহ.) বলেন, আমাদের মনে হয়, তা এজন্য যে, অবশ্য আল্লাহ্ ভাল জানেন, যাতে পুরুষদের যাবার পূর্বেই নারীরা চলে যেতে পারে।
অধ্যায়: আযান | উপ-অধ্যায়: ইশার সালাতে সশব্দে কিরাআত। | বর্ণনাকারী: আদী (ইবন সাবিত) (রাযি.)
হাদিস নং (৭৬৭): আদী (ইবন সাবিত) (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বারাআ (রাযি.) হতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে ইশা সালাতের প্রথম দু‘ রাক‘আতের এক রাক‘আতে সূরাহ্ التِّينِ وَالزَّيْتُونِপাঠ করেন।
অধ্যায়: জুমু‘আহ | উপ-অধ্যায়: জুম্মা ফরয হবার বিবরণ | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭৬): আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছেন যে, আমরা দুনিয়ায় (আগমনের দিক দিয়ে) সর্বশেষ, কিন্তু কিয়ামতের দিন আমরা মর্যাদার ব্যাপারে সবার পূর্বে। ব্যতিক্রম এই যে, আমাদের পূর্বে তাদের কিতাব প্রদান করা হয়েছে। অতঃপর তাদের সে দিন যে দিন তাদের জন্য ইবাদত ফরজ করা হয়েছিল তারা এ বিষয়ে মতভেদ করেছে। কিন্তু সে বিষয়ে আল্লাহ্ আমাদের হিদায়াত করেছেন। কাজেই এ ব্যাপারে লোকেরা আমাদের পশ্চাদ্বর্তী। ইয়াহূদীদের (সম্মানীয় দিন হচ্ছে) আগামী কাল (শনিবার) এবং নাসারাদের আগামী পরশু (রোববার)।
অধ্যায়: জুমু‘আহ | উপ-অধ্যায়: জুমু‘আহর দিন গোসল করার তাৎপর্য। জুমু‘আহর দিবসে শিশু কিংবা নারীদের (সালাতের জন্য) উপস্থিতি কি প্রয়োজন? | বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭৭): আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ জুমু‘আহর সালাতে আসলে সে যেন গোসল করে।
অধ্যায়: জুমু‘আহ | উপ-অধ্যায়: জুমু‘আহর দিন গোসল করার তাৎপর্য। জুমু‘আহর দিবসে শিশু কিংবা নারীদের (সালাতের জন্য) উপস্থিতি কি প্রয়োজন? | বর্ণনাকারী: ইবনু ‘উমার (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭৮): ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাযি.) জুমু‘আহর দিন দাঁড়িয়ে খুত্বা দিচ্ছিলেন, এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর প্রথম যুগের একজন মুহাজির সাহাবা এলেন। ‘উমার (রাযি.) তাঁকে ডেকে বললেন, এখন সময় কত? তিনি বললেন, আমি ব্যস্ত ছিলাম, তাই ঘরে ফিরে আসতে পারিনি। এমন সময় আযান শুনে কেবল উযূ করে নিলাম। ‘উমার (রাযি.) বললেন, কেবল উযূই? অথচ আপনি জানেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসলের নির্দেশ দিতেন।
অধ্যায়: জুমু‘আহ | উপ-অধ্যায়: জুমু‘আহর দিন গোসল করার তাৎপর্য। জুমু‘আহর দিবসে শিশু কিংবা নারীদের (সালাতের জন্য) উপস্থিতি কি প্রয়োজন? | বর্ণনাকারী: আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.)
হাদিস নং (৮৭৯): আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমু‘আহর দিনে প্রত্যেক সাবালকের জন্য গোসল করা ওয়াজিব।
অধ্যায়: জুমু‘আহ | উপ-অধ্যায়: জুমু‘আহর জন্য সুগন্ধি ব্যবহার। | বর্ণনাকারী: আমর ইবনু সুলাইম আনসারী
হাদিস নং (৮৮০): আমর ইবনু সুলাইম আনসারী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) বলেন, আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমু‘আহর দিন প্রত্যেক বালিগের জন্য গোসল করা কর্তব্য। আর মিস্ওয়াক করবে এবং সুগন্ধি পাওয়া গেলে তা ব্যবহার করবে। ‘আমর (ইবনু সুলায়ম) (রহ.) বলেন, গোসল সম্পর্কে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি তা ওয়াজিব। কিন্তু মিস্ওয়াক ও সুগন্ধি ওয়াজিব কিনা তা আল্লাহ্ই ভাল জানেন। তবে হাদীসে এ রকমই আছে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ বুখারী (রহ.) বলেন, আবূ বকর ইবনু মুনকাদির (রহ.) হলেন মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদির (রহ.)-এর ভাই। কিন্তু তিনি আবূ বকর হিসেবেই পরিচিত নন। বুকায়র ইবনু আশাজ্জ, সা‘ঈদ ইবনু আবূ হিলাল সহ অনেকে তাঁর হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদির (রহ.)-এর কুনিয়াত (উপনাম) ছিল আবূ বকর ও আবূ ‘আবদুল্লাহ্।