তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

ফিল্টার
মোট: ৩৪৯৯
পৃষ্ঠা ৩৪৯ / ৩৫০
মহান আল্লাহর বাণীঃ আসহাবে কাহাফ ও রাকীম সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? (আত্ তওবা ১৮) পরিচ্ছেদ নাই আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
৩৪৮২ হাদিস নং
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মরে যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানা-পিনা কিছুই করাইনি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত। * এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়: ১। কোনো প্রাণীকে অকারণে বেঁধে রাখা এবং তাকে তার খাবার ও পান করার দ্রব্য থেকে বিরত রাখা নিষ্ঠুর ও কঠোর হৃদয়ের মানুষ হওয়ার প্রমাণ বহন করে। এবং এর সাথে সাথে সে খারাপ আচরণ এবং অভদ্রতার মানুষ হওয়ার প্রমাণ বহন করে। ২। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, অকারণে কোনো জীবজন্তু বা প্রাণীকে কোনো রকমভাবে কষ্ট দেওয়া, তার প্রতি অন্যায় করা এবং তাকে প্রহার করা ও হত্যা করা একটি মহা পাপ। তাই এই হাদীসের উল্লিখিত মহিলাটিকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করতে হয়েছে; এই জন্য যে, সে একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখে হত্যা করেছে। ৩। মানুষ ওই সময় কোনো জীবজন্তুকে বেঁধে রাখতে পারবে, যখন সে তাকে তার খাবার ও পান করার দ্রব্য এবং জরুরি ঔষধ প্রদান করবে, আর প্রদান করবে তাকে তার জীবন রক্ষার সঠিক উপাদান। এই নিয়ম মোতাবেক মানুষ কোনো বিড়াল এবং পাখি ইত্যাদি প্রাণীকে বেঁধে রাখতে পারবে। ৪। প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা মোতাবেক যে প্রাণীকে হত্যা করার অনুমতি নেই, সেই প্রাণীকে যে ব্যক্তি কষ্ট দিবে অথবা হত্যা করবে, সেই ব্যক্তিকে পরকালে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।
মহান আল্লাহর বাণীঃ আসহাবে কাহাফ ও রাকীম সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? (আত্ তওবা ১৮) পরিচ্ছেদ নাই আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ)
৩৪৮৩ হাদিস নং
আবূ মাস‘ঊদ ‘উকবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তার মধ্যে একটি হল, ‘‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে তুমি যা ইচ্ছে তাই কর।
মহান আল্লাহর বাণীঃ আসহাবে কাহাফ ও রাকীম সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? (আত্ তওবা ১৮) পরিচ্ছেদ নাই আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ)
৩৪৮৪ হাদিস নং
আবূ মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথম যুগের আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তন্মধ্যে একটি হল, ‘‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তাহলে তুমি যা ইচ্ছে তাই কর।
মহান আল্লাহর বাণীঃ আসহাবে কাহাফ ও রাকীম সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? (আত্ তওবা ১৮) পরিচ্ছেদ নাই আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
৩৪৮৫ হাদিস নং
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِيْ سَالِمٌ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ بَيْنَمَا رَجُلٌ يَجُرُّ إِزَارَهُ مِنْ الْخُيَلَاءِ خُسِفَ بِهِ فَهُوَ يَتَجَلْجَلُ فِي الأَرْضِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ تَابَعَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ
মহান আল্লাহর বাণীঃ আসহাবে কাহাফ ও রাকীম সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? (আত্ তওবা ১৮) পরিচ্ছেদ নাই আবূ হুরায়রা (রাঃ)
৩৪৮৬ হাদিস নং
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পৃথিবীতে আমাদের আগমন সবশেষে হলেও কিয়ামত দিবসে আমরা অগ্রগামী। কিন্তু, অন্যান্য উম্মাতগণকে কিতাব দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আর আমাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর এ সম্পর্কে তারা মতবিরোধ করেছে। তা ইয়াহূদীদের মনোনীত শনিবার, খ্রিস্টানদের মনোনীত রবিবার।
মহান আল্লাহর বাণীঃ আসহাবে কাহাফ ও রাকীম সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? (আত্ তওবা ১৮) পরিচ্ছেদ নাই আবূ হুরায়রা (রাঃ)
৩৪৮৭ হাদিস নং
প্রত্যেক মুসলিমের জন্য সপ্তাহে অন্ততঃ একদিন গোসল করা কর্তব্য।
মহান আল্লাহর বাণীঃ আসহাবে কাহাফ ও রাকীম সম্পর্কে আপনার কী ধারণা? (আত্ তওবা ১৮) পরিচ্ছেদ নাই সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.)
৩৪৮৮ হাদিস নং
সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, যখন মু‘আবিয়া ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) মদিনা্য় সর্বশেষ আগমন করেন, তখন তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুত্বা প্রদানকালে একগুচ্ছ পরচুলা বের করে বলেন, ইয়াহূদীরা ছাড়া অন্য কেউ এর ব্যবহার করে বলে আমার ধারণা ছিল না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কাজকে মিথ্যা প্রতারণা বলে আখ্যায়িত করেছেন। অর্থাৎ পরচুলা। গুন্দর (রহ.) শু‘বা (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় আদম (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন।
মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
৩৪৮৯ হাদিস নং
আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ হে মানুষ! আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রীলোক থেকে এবং তোমাদেরকে পরিণত করেছি বিভিন্ন জাতিতে ও বিভিন্ন গোত্রে। (আল-হুজুরাত ১৩) আল্লাহর বাণীঃ তোমরা ভয় কর আল্লাহকে যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে প্রার্থনা করে থাক এবং আত্মীয়-জ্ঞাতিদের সম্পর্কে সতর্ক থাক। নিশ্চয় আল্লাহ্ তোমাদের উপর সতর্ক দৃষ্টি রাখেন- (আন্-নিসা ১)। এবং জাহিলীয়্যাত আমলের কথা-বার্তা নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে। الشُّعُوْبُ পূর্বতন বড় বংশ এবং الْقَبَائِلُ এর চেয়ে ছোট বংশ।
মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
৩৪৯০ হাদিস নং
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! মানুষের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান কে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে সবচেয়ে আল্লাহভীরু, সে-ই অধিক সম্মানিত। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এ ধরনের কথা জিজ্ঞেস করিনি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে আল্লাহর নবী ইউসুফ (আঃ)।
মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য আল্লাহ তা‘আলা বলেন কুলায়েব ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ)
৩৪৯১ হাদিস নং
কুলায়েব ইবনু ওয়ায়িল (রহ.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তত্ত্বাবধানে পালিতা আবূ সালমার কন্যা যায়নাবকে আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি বলুন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মুযার গোত্রের ছিলেন? তিনি বললেন, বনু নযর ইবনু কিনানা উদ্ভুত গোত্র মুযার ব্যতীত আর কোন্ গোত্র হতে হবেন? এবং মুযার গোত্র নাযর ইবনু কিনানা গোত্রের একটি শাখা ছিল।