২৭৫৮
হাদিস নং
ইসমা‘ঈল (রহ.) আনাস (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, যখন নাযিল হলো, ‘‘তোমরা যা ভালবাস তা থেকে ব্যয় না করা পর্যন্ত কখনো পুণ্য লাভ করতে পারবে না’’- (আলে ‘ইমরান ৯২)। তখন আবূ ত্বলহা (রহ.) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আল্লাহ তাঁর কিতাবে বলেছেন, لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتّٰى تُنْفِقُوْا مِمَّا تُحِبُّوْنَ (آل عمران : 92) এবং আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয় সম্পদ হলো বায়রূহা। আনাস (রহ.) বলেন, এটি সে বাগান যেখানে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাশরীফ নিয়ে ছায়ায় বসতেন এবং এর পানি পান করতেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলেন, এটি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশে দান করলাম। আমি এর বিনিময়ে সাওয়াব ও আখিরাতের সঞ্চয়ের আশা রাখি। হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনাকে যেখানে ব্যয় করার নির্দেশ দেন সেখানে তা ব্যয় করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, বেশ, হে আবূ ত্বলহা! এটি লাভজনক সম্পদ। আমি তোমার নিকট হতে তা গ্রহণ করলাম এবং তোমাকে ফিরিয়ে দিলাম। তা তুমি তোমার আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বণ্টন করে দাও। অতঃপর আবূ ত্বলহা (রাঃ) তা আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে সাদাকা করে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন যে, এদের মধ্যে উবাই এবং হাস্সান (রাঃ)ও ছিলেন। হাস্সান তার অংশ মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট বিক্রি করে দেন। জিজ্ঞেস করা হলো, তুমি কি আবূ ত্বলহা এর সাদাকাকৃত সম্পদ বিক্রি করে দিচ্ছ? হাসসান (রাঃ) বলেন, আমি কি এক সা‘ দিরহামের বিনিময়ে এক সা‘ খেজুর বিক্রি করবো না? আনাস (রাঃ) বলেন, বাগানটি ছিল বনু হুদায়লা প্রাসাদের জায়গায় অবস্থিত, যা মু‘আবিয়াহ (রাঃ) নির্মাণ করেন।