তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

হাদিস সমূহ
বর্ণনাকারী: সবগুলো
হাদিস সংখ্যা: ৩৩৬৫
অধ্যায়: চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা | উপ-অধ্যায়: মুকাতাবের উপর যে সব শর্তারোপ করা বৈধ এবং আল্লাহর কিতাবে নেই এমন শর্তারোপ করা। এ বিষয়ে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৫৬১): আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। বারীরাহ (রাযি.) একবার তার মুকাতাবাতের ব্যাপারে সাহায্য চাইতে আসলেন। তখন পর্যন্ত তিনি মুকাতাবাতের অর্থ হতে কিছুই আদায় করেননি। ‘আয়িশাহ (রাযি.) তাকে বললেন, তুমি তোমার মালিকের কাছে ফিরে যাও। তারা সম্মত হলে আমি তোমার মুকাতাবাতের প্রাপ্য পরিশোধ করে দিব। আর তোমার ওয়ালার (অভিভাবকের) অধিকার আমার হবে। বারীরাহ (রাযি.) কথাটি তার মালিকের কাছে পেশ করলেন। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করল এবং বলল, তিনি যদি তোমাকে মুক্ত করে সাওয়াব পেতে চান, তবে করতে পারেন। ওয়ালা আমাদেরই থাকবে। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে পেশ করলে তিনি বললেন, তুমি খরিদ করে মুক্ত করে দাও। কেননা, যে মুক্ত করবে, সেই ওয়ালার অধিকারী হবে। (রাবী) বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাহাবীগণের সমাবেশে) দাঁড়িয়ে বললেন, মানুষের কী হল, এমন সব শর্ত তারা আরোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই। যে এমন সব শর্তারোপ করবে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তা তার জন্য প্রযোজ্য হবে না; যদিও সে শতবার শর্তারোপ করে। কেননা, আল্লাহর দেয়া শর্তই সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য।
অধ্যায়: চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা | উপ-অধ্যায়: মুকাতাবের উপর যে সব শর্তারোপ করা বৈধ এবং আল্লাহর কিতাবে নেই এমন শর্তারোপ করা। এ বিষয়ে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। | বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৬২): আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাযি.) মুক্ত করার জন্য জনৈকা বাঁদীকে খরিদ করতে চাইলেন। কিন্তু তার মালিক পক্ষ বলল, এই শর্তে (আমরা সম্মত) যে, ওয়ালা আমাদেরই থাকবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ শর্তারোপ যেন তোমাকে তা ক্রয় করতে বিরত না রাখে। কেননা, ওয়ালা তারই জন্য যে মুক্ত করবে।
অধ্যায়: চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা | উপ-অধ্যায়: মানুষের নিকট মুকাতাবের সাহায্য চাওয়া ও সাহায্য প্রার্থনা করা। | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৫৬৩): আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাহ (রাযি.) এসে বললেন, আমি প্রতি বছর এক উকিয়া করে নয় উকিয়া আদায় করার শর্তে কিতাবাতের চুক্তি করেছি। এ ব্যাপারে আপনি আমাকে সাহায্য করুন। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বললেন, তোমার মালিক পক্ষ সম্মত হলে আমি উক্ত পরিমাণ এককালীন দান করে তোমাকে মুক্ত করতে পারি এবং তোমার ওয়ালা হবে আমার জন্য। তিনি তার মালিকের কাছে গেলেন, তারা তার এ শর্ত মানতে অস্বীকার করল। তখন তিনি বললেন, বিষয়টি আমি তাদের কাছে উত্থাপন করেছিলাম, কিন্তু ওয়ালা তাদেরই হবে, এ শর্ত ছাড়া তারা মানতে অসম্মতি প্রকাশ করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি শুনে এ সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন। আমি ঘটনাটি তাঁকে খুলে বললাম। তখন তিনি বললেন, তাকে নিয়ে যাও এবং মুক্ত করে দাও। ওয়ালা তাদের হবে, এ শর্ত মেনে নাও, (এতে কিছু আসে যায় না।) কেননা, যে মুক্ত করবে, ওয়ালা তারই হবে। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণের সমাবেশে দাঁড়িয়ে আল্লাহর হাম্দ ও সানা পাঠ করলেন আর বললেন, তোমাদের কিছু লোকের কী হল? এমন সব শর্ত তারা আরোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই। এমন কোন শর্ত, যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তা বাতিল বলে গণ্য হবে; এমনকি সে শর্ত শতবার আরোপ করলেও। কেননা, আল্লাহর হুকুমই যথার্থ এবং আল্লাহর শর্তই নির্ভরযোগ্য। তোমাদের কিছু লোকের কী হল? তারা এমন কথা বলে যে, হে অমুক! তুমি মুক্ত করে দাও, ওয়ালা (অভিভাবকত্ব) আমারই থাকবে। অথচ যে মুক্ত করবে সে-ই ওয়ালার অধিকারী হবে।
অধ্যায়: চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা | উপ-অধ্যায়: মুকাতাবের সমর্থন সাপেক্ষে তাকে বিক্রয় করা। | বর্ণনাকারী: আমরাহ বিনতু আবদুর রহমান (রহ.)
হাদিস নং (২৫৬৪): আমরাহ বিনতু আবদুর রহমান (রহ.) হতে বর্ণিত যে, বারীরাহ (রাযি.) একবার উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর কাছে সাহায্য চাইতে আসলেন। তখন তিনি বললেন, তোমার মালিক পক্ষ চাইলে আমি তাদের এক সাথেই তোমার মূল্য দিয়ে দিব এবং তোমাকে মুক্ত করে দিব। বারীরাহ (রাযি.) মালিক পক্ষকে তা বললেন, কিন্তু জবাবে তারা বলল, তোমার ওয়ালা আমাদের থাকবে; এছাড়া আমরা সম্মত নই। (রাবী) মালিক (রহ.) বলেন, ইয়াহ্ইয়া (রহ.) বলেন, আমরা (রহ.) ধারণা করেন যে, ‘আয়িশাহ (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে তা উত্থাপন করেছিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, তুমি তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দাও। কেননা, ওয়ালা তারই হবে, যে মুক্ত করে।
অধ্যায়: চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা | উপ-অধ্যায়: মুকাতাব যদি (কাউকে) বলে, আমাকে ক্রয় করে আযাদ করে দিন, আর সে যদি ঐ উদ্দেশে তাকে খরিদ করে। | বর্ণনাকারী: আবূ আয়মান (রহ.)
হাদিস নং (২৫৬৫): আবূ আয়মান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর কাছে গিয়ে বললাম, আমি উতবা ইবনু আবূ লাহাবের ক্রীতদাস ছিলাম। সে মারা গেলে তার ছেলেরা আমার মালিক হল। আর তারা আমাকে ইবনু আবূ ‘আমর মাখযূমীর নিকট বিক্রি করেন। ইবনু আবূ ‘আমর আমাকে মুক্ত করে দিলেন। কিন্তু ‘উতবার ছেলেরা ওয়ালার শর্তারোপ করল। তখন ‘আয়িশাহ (রাযি.) বললেন, মুকাতাব থাকা অবস্থায় বারীরাহ (রাযি.) একবার তার কাছে এসে বললেন, আমাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দিন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, তারা ওয়ালার শর্তারোপ ব্যতিরেকে আমাকে বিক্রি করবে না। তিনি বললেন, তাহলে এতে আমার প্রয়োজন নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে কথা শুনলেন, কিংবা তার কাছে এ সংবাদ পৌঁছল। তখন তিনি ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর কাছে এ ব্যাপারে আলোচনা করলেন। আর ‘আয়িশাহ (রাযি.) বারীরাহ (রাযি.)-কে যা বলেছিলেন তাই জানালেন। তখন তিনি বললেন, তুমি তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও, আর তাদেরকে যত ইচ্ছা শর্তারোপ করতে দাও। পরে ‘আয়িশাহ (রাযি.) তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দিলেন এবং তার মালিকপক্ষ ওয়ালার শর্তারোপ করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ওয়ালা তারই থাকবে, যে মুক্ত করে যদিও তার মালিকপক্ষ শত শর্তারোপ করে থাকে।
অধ্যায়: হিবা ও এর ফযীলত | উপ-অধ্যায়: হিবা ও এর ফযীলত | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৬৬): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, হে মুসলিম নারীগণ! কোন মহিলা প্রতিবেশিনী যেন অপর মহিলা প্রতিবেশিনীর হাদিয়া তুচ্ছ মনে না করে, এমনকি তা ছাগলের সামান্য গোশ্তযুক্ত হাড় হলেও।
অধ্যায়: হিবা ও এর ফযীলত | উপ-অধ্যায়: হিবা ও এর ফযীলত | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৬৭): আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি একবার ‘উরওয়াহ (রাঃ)-’র উদ্দেশে বললেন, ভাগ্নে! আমরা নতুন চাঁদ দেখতাম, আবার নতুন চাঁদ দেখতাম। এভাবে দু’মাসে তিনটি নতুন চাঁদ দেখতাম। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কোন ঘরেই আগুন জ্বালানো হত না। [‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন] আমি জিজ্ঞেস করলাম, খালা! আপনারা তাহলে বেঁচে থাকতেন কিভাবে? তিনি বললেন, দু’টি কালো জিনিস অর্থাৎ খেজুর আর পানিই শুধু আমাদের বাঁচিয়ে রাখত। কয়েক ঘর আনসার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতিবেশী ছিল। তাঁদের কিছু দুগ্ধবতী উটনী ও বকরী ছিল। তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য দুধ হাদিয়া পাঠাত। তিনি আমাদের তা পান করতে দিতেন।
অধ্যায়: হিবা ও এর ফযীলত | উপ-অধ্যায়: অল্প পরিমাণে হিবা করা সম্পর্কে। | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৬৮): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যদি আমাকে হালাল পশুর পায়া বা হাতা খেতে ডাকা হয়, তবু তা আমি গ্রহণ করব আর যদি আমাকে পায়া বা হাতা হাদিয়া দেয়া হয়, আমি তা গ্রহণ করব।
অধ্যায়: হিবা ও এর ফযীলত | উপ-অধ্যায়: যদি কেউ তার সঙ্গী সাথীদের নিকট কিছু চায়। | বর্ণনাকারী: সাহল বিন সা'দ (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৬৯): সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক মুহাজির১ মহিলার নিকট নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোক পাঠালেন। তাঁর এক গোলাম ছিল কাঠ মিস্ত্রি। তিনি তাকে বললেন, তুমি তোমার গোলামকে বল, সে যেন আমাদের জন্য একটা কাঠের মিম্বার তৈরি করে। তিনি তার গোলামকে নির্দেশ দিলেন। সে গিয়ে এক রকম গাছ কেটে এনে মিম্বার তৈরী করল। কাজ শেষ হলে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, গোলাম তার কাজ শেষ করেছে। তিনি বললেন, সেটা আমার নিকট পাঠিয়ে দাও। তখন লোকেরা তা নিয়ে এল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেটা বহন করে সেখানে রাখলেন, যেখানে তোমরা দেখতে পাচ্ছ।
অধ্যায়: হিবা ও এর ফযীলত | উপ-অধ্যায়: যদি কেউ তার সঙ্গী সাথীদের নিকট কিছু চায়। | বর্ণনাকারী: আবূ ক্বাতাদাহ সালামী (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৭০): আবূ ক্বাতাদাহ সালামী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি মক্কার পথে কোন এক মনযিলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কয়েকজন সাহাবীর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের অগ্রবর্তী কোন স্থানে অবস্থান করছিলেন। সকলেই ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। আমি শুধু ইহরাম ব্যতীত ছিলাম। তাঁরা একটি বন্য গাধা দেখতে পেলেন। আমি তখন আমার জুতা মেরামত করছিলাম। তাঁরা আমাকে সে সম্পর্কে জানাননি। অথচ সেটি আমি যেন দেখতে পাই তাঁরা তা চাচ্ছিলেন। আমি হঠাৎ সেদিকে তাকালেন, সেটা আমার নযরে পড়ল। তখন আমি উঠে ঘোড়ার দিকে এগিয়ে গেলাম এবং জীন লাগিয়ে তাতে সাওয়ার হলাম। কিন্তু চাবুক ও বর্শা নিতে ভুলে গেলাম। তখন তাঁদের বললাম, চাবুক আর বর্শাটা আমাকে তুলে দাও। কিন্তু তাঁরা বললেন, আল্লাহর কসম! গাধা শিকার করার ব্যাপারে আমরা তোমাকে কোন সাহায্যই করব না। আমি তখন রাগ করে নেমে এলাম এবং সে দু’টি তুলে নিয়ে সাওয়ার হলাম। আর গাধাটা আক্রমণ করে আহত করলাম। তাতে সেটি মারা গেল। অতঃপর সেটাকে নিয়ে আসলাম। তারা সেই গাধার মাংস খেতে লাগলেন। পরে তাদের মনে ইহরাম অবস্থায় তা খাওয়া নিয়ে সন্দেহ দেখা দিল। আমরা যাত্রা শুরু করলাম। এক ফাঁকে আমি আমার নিকট গাধার একটি হাতা লুকিয়ে রেখেছিলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাক্ষাৎ পেয়ে সেই মাংস সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তোমাদের সঙ্গে সেটার মাংসের কিছু আছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ আছে। অতঃপর হাতাখানা তাঁকে দিলে তিনি ইহরাম অবস্থায় তার সবটুকু খেলেন। এ হাদীসটি যায়দ ইবনু আসলাম (রাঃ) ‘আতা’ ইবনু ইয়াসার (রহ.)-এর মাধ্যমে আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।