অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: আযাদ করার সংকল্পে কোন ব্যক্তি নিজের ক্রীতদাস সম্পর্কে ‘সে আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট’ বলা এবং আযাদ করার ক্ষেত্রে সাক্ষী রাখা। |
বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৩১):
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবীজীর খিদমতে আগমনকালে আমি পথে পথে (কবিতা) বলতামঃ হিজরতের সে রাত কত না দীর্ঘ আর কষ্টদায়ক ছিল- তবুও তা আমাকে দারুল কুফর হতে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, পথে আমার এক ক্রীতদাস পালিয়ে গিয়েছিল। যখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে এসে তাঁর (হাতে) বায়‘আত হলাম। আমি তাঁর খিদমাতেই ছিলাম, এ সময় ক্রীতদাসটি এসে হাযির হল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ হুরাইরাহ! এই যে, তোমার ক্রীতদাস! আমি বললাম, সে আল্লাহর ওয়াস্তে আযাদ। এই বলে তাকে মুক্ত করে দিলাম।
আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহ.) বলেন, আবূ কুরাইব (রহ.) আবূ উসামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতে حُرٌّ শব্দ বলেননি।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: আযাদ করার সংকল্পে কোন ব্যক্তি নিজের ক্রীতদাস সম্পর্কে ‘সে আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট’ বলা এবং আযাদ করার ক্ষেত্রে সাক্ষী রাখা। |
বর্ণনাকারী: কাইস (রহ.)
হাদিস নং (২৫৩২):
কাইস (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) তাঁর ক্রীতদাসকে সাথে করে ইসলামের উদ্দেশে (মদিনা) আগমনকালে পথিমধ্যে তারা একে অপরকে হারিয়ে ফেললেন এবং তিনি (আবূ হুরাইরাহ) বললেন, শুনুন! আমি আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি, সে আল্লাহর জন্য।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: উম্মু ওয়ালাদ সম্পর্কে। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৫৩৩):
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উতবাহ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস আপন ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাসকে ওসীয়্যাত করেছিলেন, তিনি যেন যাম‘আর দাসীর গর্ভজাত পুত্রকে গ্রহণ করেন (কারণ স্বরূপ) ‘উতবাহ বলেছিলেন, সে আমার (ঔরসজাত) পুত্র। মক্কা বিজয়কালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় তাশরীফ আনলেন; তখন সা‘দ যাম‘আর দাসীর পুত্রকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে আসলেন এবং তার সাথে আব্দ ইবনু যাম‘আকে নিয়ে আসলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আমার ভাই, যাম‘আর পুত্র। তার শয্যাতেই এ জন্ম নিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন যাম‘আর দাসীর পুত্রের দিকে তাকালেন। দেখলেন, উতবার সাথেই তার (আদলের) সর্বাধিক মিল। তবু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আব্দ ইবনু যাম‘আ! এ তোমারই (ভাই), কেননা এ তার (আব্দ ইবনু যাম‘আর) শয্যাতে জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে সাওদা বিনতে যাম‘আ! তুমি এ হতে পর্দা করবে। কেননা, তিনি উতবার সাথেই তার (চেহারার) মিল দেখতে পেয়েছিলেন। সাওদা ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: মুদাববার (ক্রীতদাস) বিক্রয় করা। |
বর্ণনাকারী: জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৩৪):
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের কোন একজন তার এক ক্রীতদাসকে মুদাববার (মনিবের মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস মুক্ত বলে ঘোষিত হয়) রূপে মুক্ত ঘোষণা করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ক্রীতদাসকে ডেকে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, ক্রীতদাসটি সে বছরই মারা গিয়েছিল।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রয় বা দান করা। |
বর্ণনাকারী: ইবনু ‘উমার (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৩৫):
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রয় বা দান করা। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (২৫৩৬):
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বারীরাকে আমি (আযাদ করার নিয়্যতে) খরিদ করলাম, তখন তার (পূর্বতন) মালিক অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করল। প্রসঙ্গটি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে উত্থাপন করলাম। তিনি বললেন, তুমি তাকে মুক্ত করে দাও। অভিভাবকত্ব সেই লাভ করবে, যে অর্থ ব্যয় করবে। তখন আমি তাকে মুক্ত করে দিলাম। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দিলেন। বারীরা (রাঃ) বললেন, যদি সে আমাকে এত এত সম্পদও দেয় তবু আমি তার কাছে থাকব না। অবশেষে তিনি তার ইখতিয়ার প্রয়োগ করলেন।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: কোন ব্যক্তির মুশরিক ভাই বা চাচা যুদ্ধে বন্দী হলে কি তাদের পক্ষ হতে মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে? |
বর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৩৭):
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদ্বীনার কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে বলল, আপনি অনুমতি দিলে আমরা আমাদের বোনের ছেলে ‘আব্বাসের মুক্তিপণ ছেড়ে দিব। কিন্তু তিনি বললেন, তোমরা তার (মুক্তিপণের) একটি দিরহামও ছাড়তে পার না।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: মুশরিক কর্তৃক গোলাম আযাদ করা। |
বর্ণনাকারী: হিশাম (রহ.)
হাদিস নং (২৫৩৮):
হিশাম (রহ.) হতে বর্ণিত। আমার পিতা আমাকে অবগত করলেন যে, হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) জাহিলী যুগে একশ’ ক্রীতদাস মুক্ত করেছিলেন এবং আরোহণের জন্য একশ’ উট দিয়েছিলেন। যখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন, তখনও একশ’ উট বাহন হিসাবে দান করেন এবং একশ’ ক্রীতদাস মুক্ত করলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! জাহেলী যুগে কল্যাণের উদ্দেশে যে কাজগুলো আমি করতাম, সেগুলো সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন। তিনি বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার পিছনের ‘আমলগুলোর কল্যাণেই তো তুমি ইসলাম কবূল করেছ।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: কোন আরব যদি কোন দাস-দাসীর মালিক হয় এবং তাকে দান করে, বিক্রয় করে, সহবাস করে এবং ফিদিয়া হিসাবে দেয় অথবা শিশুদেরকে বন্দী করে রাখে তবে এর বিধান কী? |
বর্ণনাকারী: মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৩৯):
মারওয়ান ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে হাযির হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন (অভ্যর্থনার জন্য) এরপর তারা অর্থ-সম্পদ ও বন্দীদের ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন জানাল। তখন তিনি বললেন, তোমরা দেখেছ, আমার সাথে আরো ‘সাহাবী আছেন। আর সত্য ভাষণই আমার নিকট প্রিয়। কাজেই, অর্থ-সম্পদ ও বন্দী এ দু’টির যে কোন একটি তোমরা বেছে নাও। বন্দীদের বণ্টনের ব্যাপারে আমি বিলম্বও করেছিলাম। (রাবী বলেন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফ হতে ফিরে প্রায় দশ রাত তাদেরকে সুযোগ দিয়েছিলেন। যখন প্রতিনিধি দলের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দু’টির যে কোন একটি ফেরত দিবেন, তখন তারা বলল, তবে আমরা আমাদের বন্দীদেরই পছন্দ করছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবার সামনে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাযোগ্য প্রশংসা করার পর বললেন, তোমাদের ভাইয়েরা তাওবা করে আমাদের কাছে এসেছে। এমতাবস্থায় আমি তাদেরকে তাদের বন্দীদের ফেরত দিতে মনস্থ করেছি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে তা পছন্দ করে, তারা যেন তাই করে। আর যারা তাদের নিজেদের হিস্সা পেতে পছন্দ করে তা এভাবে যে, প্রথম দফায় আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দান করবেন, সেখান হতে আমি তাদের সে হিস্সা আদায় করে দিব। সে যেন তা করে। তখন সবাই বলল, আমরা আপনার জন্য সন্তুষ্টচিত্তে তা করতে রাজী আছি। তিনি বললেন, আমি বুঝতে পারছি না, তোমাদের মধ্যে কারা সম্মত আর কারা সম্মত নও। কাজেই তোমরা ফিরে যাও। আর তোমাদের মুখপাত্ররা তোমাদের মতামত আমার কাছে উত্থাপন করুক। তারপর সবাই ফিরে গেল আর তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সাথে আলোচনা সেরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ফিরে এসে জানালেন যে, তারা সকলেই সন্তুষ্টচিত্তে সম্মতি প্রকাশ করেছে। [ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.) বলেন] হওয়াযিন গোত্রের যুদ্ধ বন্দী সম্পর্কে এতটুকুই আমাদের কাছে পৌঁছেছে। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেন, (বদর যুদ্ধে) আমি (একাই) নিজের ও আকীলের মুক্তিপণ আদায় করেছি।
|
অধ্যায়: ক্রীতদাস আযাদ করা |
উপ-অধ্যায়: কোন আরব যদি কোন দাস-দাসীর মালিক হয় এবং তাকে দান করে, বিক্রয় করে, সহবাস করে এবং ফিদিয়া হিসাবে দেয় অথবা শিশুদেরকে বন্দী করে রাখে তবে এর বিধান কী? |
বর্ণনাকারী: মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ)
হাদিস নং (২৫৪০):
মারওয়ান ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে হাযির হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন (অভ্যর্থনার জন্য) এরপর তারা অর্থ-সম্পদ ও বন্দীদের ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন জানাল। তখন তিনি বললেন, তোমরা দেখেছ, আমার সাথে আরো ‘সাহাবী আছেন। আর সত্য ভাষণই আমার নিকট প্রিয়। কাজেই, অর্থ-সম্পদ ও বন্দী এ দু’টির যে কোন একটি তোমরা বেছে নাও। বন্দীদের বণ্টনের ব্যাপারে আমি বিলম্বও করেছিলাম। (রাবী বলেন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফ হতে ফিরে প্রায় দশ রাত তাদেরকে সুযোগ দিয়েছিলেন। যখন প্রতিনিধি দলের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দু’টির যে কোন একটি ফেরত দিবেন, তখন তারা বলল, তবে আমরা আমাদের বন্দীদেরই পছন্দ করছি।
তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবার সামনে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাযোগ্য প্রশংসা করার পর বললেন, তোমাদের ভাইয়েরা তাওবা করে আমাদের কাছে এসেছে। এমতাবস্থায় আমি তাদেরকে তাদের বন্দীদের ফেরত দিতে মনস্থ করেছি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে তা পছন্দ করে, তারা যেন তাই করে। আর যারা তাদের নিজেদের হিস্সা পেতে পছন্দ করে তা এভাবে যে, প্রথম দফায় আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দান করবেন, সেখান হতে আমি তাদের সে হিস্সা আদায় করে দিব। সে যেন তা করে। তখন সবাই বলল, আমরা আপনার জন্য সন্তুষ্টচিত্তে তা করতে রাজী আছি। তিনি বললেন, আমি বুঝতে পারছি না, তোমাদের মধ্যে কারা সম্মত আর কারা সম্মত নও। কাজেই তোমরা ফিরে যাও। আর তোমাদের মুখপাত্ররা তোমাদের মতামত আমার কাছে উত্থাপন করুক। তারপর সবাই ফিরে গেল আর তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সাথে আলোচনা সেরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ফিরে এসে জানালেন যে, তারা সকলেই সন্তুষ্টচিত্তে সম্মতি প্রকাশ করেছে।
[ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.) বলেন] হওয়াযিন গোত্রের যুদ্ধ বন্দী সম্পর্কে এতটুকুই আমাদের কাছে পৌঁছেছে। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেন, (বদর যুদ্ধে) আমি (একাই) নিজের ও আকীলের মুক্তিপণ আদায় করেছি।
|