তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

হাদিস সমূহ
বর্ণনাকারী: সবগুলো
হাদিস সংখ্যা: ৩৩৬৫
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: তাওয়াফের সময় রশি দিয়ে কাউকে টানতে দেখলে বা অশোভনীয় কোন কিছু দেখলে তা হতে বাধা প্রদান করবে। | বর্ণনাকারী: ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৬২১): ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কা‘বা ঘর তাওয়াফ করতে দেখতে পেলেন এ অবস্থায় যে, চাবুকের ফিতা বা অন্য কিছু দিয়ে (তাকে টেনে নেয়া হচ্ছে)। তখন তিনি তা বিছিন্ন করে দিলেন।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: উলঙ্গ হয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করবে না এবং কোন মুশরিক হজ্জ করবে না। | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৬২২): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের পূর্বে যে হাজ্জে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাঃ)-কে আমীর নিযুক্ত করেন, সে হাজ্জে কুরবানীর দিন [আবূ বাকার (রাঃ)] আমাকে একদল লোকের সঙ্গে পাঠালেন, যারা লোকদের কাছে ঘোষণা করবে যে, এ বছরের পর হতে কোন মুশরিক হাজ্জ করবে না এবং উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে না।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সাত চক্কর পর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। | বর্ণনাকারী: আমর (রহ.)
হাদিস নং (১৬২৩): আমর (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইবনু ’উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ’উমরাহকারীর জন্য সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে কি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সাত চক্করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সমাপ্ত করে মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেন, অতঃপর সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করেন। এরপর ইবনু ’উমার (রাঃ) তিলাওয়াত করেন, ’’তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে’’- (আল-আহযাবঃ ২৩)।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সাত চক্কর পর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন। | বর্ণনাকারী: আমর (রহ.)
হাদিস নং (১৬২৪): (রাবী) ‘আমর (রহ.) বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সাফা ও মারওয়া সা‘য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ নয়।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: প্রথমবার তাওয়াফ (তাওয়াফে কুদুম)-এর পর ‘আরাফাতে গিয়ে সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত বাইতুল্লাহর নিকটবর্তী না হওয়া (তাওয়াফ না করা)। | বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৬২৫): আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সাত চক্করে তাওয়াফ করে সাফা ও মারওয়া সা‘ঈ করেন, এরপর (প্রথম) তাওয়াফের পরে ‘আরাফাহ হতে ফিরে আসার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহর নিকটবর্তী হননি।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: তাওয়াফের দু’রাক‘আত সালাত মাসজিদুল হারামের বাইরে আদায় করা। | বর্ণনাকারী: উম্মু সালামাহ (রাযি.)
হাদিস নং (১৬২৬): উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট অসুস্থতার কথা জানালাম, অন্য সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু হারব (রহ.) ... নবী সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ হতে প্রস্থান করার ইচ্ছা করলে উম্মু সালামাহ (রাযি.)-ও মক্কা্ ত্যাগের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন, অথচ তিনি (অসুস্থতার কারণে) তখনও বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারেননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাঁকে বললেনঃ যখন ফজরের সালাতের ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দেয়া হবে আর লোকেরা সালাত আদায় করতে থাকবে, তখন তোমার উটে আরোহণ করে তুমি তাওয়াফ আদায় করে নিবে। তিনি তাই করলেন। এরপর (তাওয়াফের) সালাত আদায় করার পূর্বেই মক্কা্ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: তাওয়াফের দু’রাক‘আত সালাত মাকামে ইবরাহীমের পশ্চাতে আদায় করা। | বর্ণনাকারী: ইবনু ‘উমার (রাঃ)
হাদিস নং (১৬২৭): ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্য় উপনীত হয়ে সাত চক্করে (বাইতুল্লাহর) তাওয়াফ সম্পন্ন করে মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সাফার দিকে বেরিয়ে গেলেন। [ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন] মহান আল্লাহ বলেছেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ’’- (আল-আহযাবঃ ২৩)।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: ফজর ও ‘আসর-এর (সালাতের) পর তাওয়াফ করা। | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১৬২৮): আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, কিছু লোক ফজরের সালাতের পর বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করল। অতঃপর তারা নসীহতকারীর (নসীহত শোনার জন্য) বসে গেল। অবশেষে সূর্যোদয় হলে তারা দাঁড়িয়ে (তাওয়াফের) সালাত আদায় করল। তখন ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেন, তারা বসে রইল আর যে সময়টিতে সালাত আদায় করা মাকরূহ তখন তারা সালাতে দাঁড়িয়ে গেল!
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: ফজর ও ‘আসর-এর (সালাতের) পর তাওয়াফ করা। | বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) (রাঃ)
হাদিস নং (১৬২৯): আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি, তিনি সূর্যোদয়ের সময় এবং সূর্যাস্তের সময় সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
অধ্যায়: হাজ্জ (হজ্জ/হজ) | উপ-অধ্যায়: ফজর ও ‘আসর-এর (সালাতের) পর তাওয়াফ করা। | বর্ণনাকারী: আবদুল ‘আযীয ইবনু রূফাই‘ (রহ.)
হাদিস নং (১৬৩০): আবদুল ‘আযীয ইবনু রূফাই‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে ফজরের সালাতের পর তাওয়াফ করতে এবং দু’রাক‘আত (তাওয়াফের) সালাত আদায় করতে দেখেছি।