তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

ফিল্টার
মোট: ৩৫০০
পৃষ্ঠা ১৬০ / ৩৫০
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) মহান আল্লাহর বাণীঃ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
১৫৯১ হাদিস নং
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাবাশার অধিবাসী পায়ের সরু নলা বিশিষ্ট লোকেরা কা’বাগৃহ ধ্বংস করবে।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) মহান আল্লাহর বাণীঃ আয়িশাহ্ (রাযি.)
১৫৯২ হাদিস নং
আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমাযানের সওম ফরজ হওয়ার পূর্বে মুসলিমগণ ‘আশূরার সওম পালন করতেন। সে দিনই কা‘বা ঘর (গিলাফে) আবৃত করা হতো। অতঃপর আল্লাহ যখন রমাযানের সওম ফরজ করলেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘আশূরার সওম যার ইচ্ছা সে পালন করবে আর যার ইচ্ছা সে ছেড়ে দিবে।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) মহান আল্লাহর বাণীঃ আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)
১৫৯৩ হাদিস নং
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াজূজ ও মাজূজ বের হওয়ার পরও বাইতুল্লাহর হাজ্জ ও ‘উমরাহ পালিত হবে। আবান ও ইমরান (রহ.) কাতাদাহ্ (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় হাজ্জাজ ইবনু হাজ্জাজের অনুসরণ করেছেন। ‘আবদুর রাহমান (রহ.) শু‘বাহ্ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন, ‘‘বাইতুল্লাহর হাজ্জ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না।’’ প্রথম রিওয়ায়াতটি অধিক গ্রহণযোগ্য। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, কাতাদাহ্ (রহ.) রিওয়ায়াতটি ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হতে এবং ‘আবদুল্লাহ (রহ.) আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে শুনেছেন।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কা’বা গিলাফ দ্বারা আবৃত করা। আবূ ওয়াইল (রহ.)
১৫৯৪ হাদিস নং
আবূ ওয়াইল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কা‘বার সামনে আমি শাইবাহর সাথে কুরসীতে বসলাম। তখন তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) এখানে বসেই বলেছিলেন, আমি কা‘বা ঘরে রক্ষিত সোনা ও রূপা বণ্টন করে দেয়ার ইচ্ছা করেছি। (শাইবাহ বলেন) আমি বললাম, আপনার উভয় সঙ্গী [আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর (রাঃ)] তো এরূপ করেননি। তিনি বললেন, তাঁরা এমন দু’ ব্যক্তিত্ব যাঁদের অনুসরণ আমি করব।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কা‘বা ঘর ধ্বংস করা। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
১৫৯৫ হাদিস নং
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি যেন দেখতে পাচ্ছি কালো বর্ণের বাঁকা পা বিশিষ্ট লোকেরা (কাবা ঘরের) একটি একটি করে পাথর খুলে এর মূল উৎপাটন করে দিচ্ছে।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কা‘বা ঘর ধ্বংস করা। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
১৫৯৬ হাদিস নং
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হাবশার অধিবাসী পায়ের সরু নলা বিশিষ্ট লোকেরা কা‘বা ঘর ধ্বংস করবে।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে। উমার (রাঃ)
১৫৯৭ হাদিস নং
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি হাজরে আসওয়াদের কাছে এসে তা চুম্বন করে বললেন, আমি অবশ্যই জানি যে, তুমি একখানা পাথর মাত্র, তুমি কারো কল্যাণ বা অকল্যাণ করতে পার না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তোমায় চুম্বন করতে না দেখলে কখনো আমি তোমাকে চুম্বন করতাম না।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কা‘বা ঘরের দরজা বন্ধ করা এবং কা‘বা ঘরের ভিতর যেখানে ইচ্ছা সালাত আদায় করা। আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রযি.)
১৫৯৮ হাদিস নং
আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং উসামাহ ইবনু যায়দ, বিলাল ও ’উসমান ইবনু তালহা (রাঃ) বাইতুল্লাহর ভিতরে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দিলেন। যখন খুলে দিলেন তখন প্রথম আমিই প্রবেশ করলাম এবং বিলালের সাক্ষাৎ পেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কা’বার ভিতরে সালাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইয়ামানের দিকের দু’টি স্তম্ভের মাঝখানে।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কা‘বার অভ্যন্তরে সালাত আদায় করা। ইবনু ‘উমার (রাঃ)
১৫৯৯ হাদিস নং
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, যখন তিনি কা‘বা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করতেন, তখন দরজা পিছনে রেখে সোজা সম্মুখের দিকে চলে যেতেন, এতদূর অগ্রসর হতেন যে, সম্মুখের দেয়ালটি মাত্র তিন হাত পরিমাণ দূরে থাকতো এবং বিলাল (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেখানে সালাত আদায় করেছেন বলে বর্ণনা করেছেন, সেখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে তিনি সালাত আদায় করতেন। অবশ্য কা‘বার ভিতরে যে কোন স্থানে সালাত আদায় করাতে কোন দোষ নেই।
হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কা‘বার অভ্যন্তরে যে প্রবেশ করেনি। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
১৬০০ হাদিস নং
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমরাহ করতে গিয়ে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করলেন ও মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন এবং তাঁর সাথে এ সকল সাহাবী ছিলেন যারা তাঁকে লোকদের হতে আড়াল করে ছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বার ভিতরে প্রবেশ করেছিলেন কি-না, এক ব্যক্তি আবূ আওফা (রাঃ)-এর নিকট তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, না।