তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

হাদিস সমূহ
বর্ণনাকারী: সবগুলো
হাদিস সংখ্যা: ৩৩৬৫
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: নিকটাত্মীয়দেরকে যাকাত দেয়া। | বর্ণনাকারী: আনাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৬১): আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাদ্বীনার আনসারীগণের মধ্যে আবূ তালহা (রাঃ) সবচাইতে বেশী খেজুর বাগানের মালিক ছিলেন। মসজিদে নাববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাঁর কাছে অধিক প্রিয় ছিল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বাগানে প্রবেশ করে এর সুপেয় পানি পান করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘তোমরা যা ভালবাস তা হতে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনো পুণ্য লাভ করবে না’’- (আলু ইমরানঃ ৯২)। তখন আবূ তালহা (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে গিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ বলেছেনঃ ‘‘তোমরা যা ভালবাস তা হতে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনো পুণ্য লাভ করবে না’’- (আলু ইমরানঃ ৯২)। আর বায়রুহা বাগানটি আমার কাছে অধিক প্রিয়। এটি আল্লাহর নামে সাদাকা করা হলো, আমি এর কল্যাণ কামনা করি এবং তা আল্লাহর নিকট আমার জন্য সঞ্চয়রূপে থাকবে। কাজেই আপনি যাকে দান করা ভাল মনে করেন তাকে দান করুন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাকে ধন্যবাদ, এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ, এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। তুমি যা বলেছ তা শুনলাম। আমি মনে করি, তোমার আপন জনদের মধ্যে তা বণ্টন করে দাও। আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাই করব। অতঃপর তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন, আপন চাচার বংশধরের মধ্যে তা বণ্টন করে দিলেন। রাবী রাওহ (রহ.) رَايِحٌ শব্দে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। আর রাবী ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহ.) ও ইসমা‘ঈল (রহ.) মালিক (রহ.) হতে رَايِحٌ শব্দ বলেছেন।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: নিকটাত্মীয়দেরকে যাকাত দেয়া। | বর্ণনাকারী: আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৬২): আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিত্রের দিনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে গেলেন এবং সালাত শেষ করলেন। পরে লোকদের উপদেশ দিলেন এবং তাদের সাদাকা দেয়ার নির্দেশ দিলেন আর বললেনঃ লোক সকল! তোমরা সাদাকা দিবে। অতঃপর মহিলাগণের নিকট গিয়ে বললেনঃ মহিলাগণ! তোমরা সাদাকা দাও। আমাকে জাহান্নামে তোমাদেরকে অধিক সংখ্যক দেখানো হয়েছে। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এর কারণ কী? তিনি বললেনঃ তোমরা বেশি অভিশাপ দিয়ে থাক এবং স্বামীর অকৃতজ্ঞ হয়ে থাক। হে মহিলাগণ! জ্ঞান ও দ্বীনে অপরিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দৃঢ়চেতা পুরুষের বুদ্ধি হরণকারিণী তোমাদের মত কাউকে দেখিনি। যখন তিনি ফিরে এসে ঘরে পৌঁছলেন, তখন ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর স্ত্রী যায়নাব (রাযি.) তাঁর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! যায়নাব এসেছেন। তিনি বললেন, কোন্ যায়নাব? বলা হলো, ইবনু মাস‘ঊদের স্ত্রী। তিনি বললেনঃ হাঁ, তাকে আসতে দাও। তাকে অনুমতি দেয়া হলো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজ আপনি সাদাকা করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমার অলংকার আছে। আমি তা সাদাকা করার ইচ্ছা করেছি। ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) মনে করেন, আমার এ সদাকায় তাঁর এবং তাঁর সন্তানদেরই হক বেশি। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) ঠিক বলেছে। তোমার স্বামী ও সন্তানই তোমার এ সাদাকার অধিক হাক্দার।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: মুসলিমের উপর তার ঘোড়ায় কোন যাকাত নেই। | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৬৩): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমের উপর তার ঘোড়া ও গোলামের কোন যাকাত নেই।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: মুসলিমের উপর তার গোলামের যাকাত নেই। | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৬৪): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত।, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমের উপর তার গোলাম ও ঘোড়ার কোন যাকাত নেই।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: ইয়াতীমকে সদাকাহ দেয়া। | বর্ণনাকারী: আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৬৫): আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে বসলেন এবং আমরা তাঁর আশেপাশে বসলাম। তিনি বললেনঃ আমার পরে তোমাদের ব্যাপারে আমি যা আশঙ্কা করছি তা হলো এই যে দুনিয়ার চাকচিক্য ও সৌন্দর্য (ধন-সম্পদ) তোমাদের সামনে খুলে দেয়া হবে। এক সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কল্যাণ কি কখনো অকল্যাণ বয়ে আনে? এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব হলেন। প্রশ্নকারীকে বলা হলো, তোমার কী হয়েছে? তুমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে কথা বলছ, কিন্তু তিনি তোমাকে জওয়াব দিচ্ছেন না? তখন আমরা অনুভব করলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উপর ওয়াহী নাযিল হচ্ছে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তাঁর ঘাম মুছলেন এবং বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়? যেন তার প্রশ্নকে প্রশংসা করে বললেন, কল্যাণ কখনো অকল্যাণ বয়ে আনে না। অবশ্য বসন্ত মৌসুম যে ঘাস উৎপন্ন করে তা (সবটুকুই সুস্বাদু ও কল্যাণকর বটে তবে) অনেক সময় হয়ত (ভোজনকারী প্রাণীর) জীবন নাশ করে অথবা তাকে মৃত্যুর কাছাকাছি নিয়ে যায়। তবে ঐ তৃণভোজী জন্তু, যে পেট ভরে খাওয়ার পর সূর্যের তাপ গ্রহণ করে এবং মল ত্যাগ করে, প্রস্রাব করে এবং পুনরায় চলে (সেই মৃত্যু থেকে রক্ষা পায় তেমনি) এই সম্পদ হলো আকর্ষণীয় সুস্বাদু। কাজেই সে-ই ভাগ্যবান মুসলিম, যে এই সম্পদ থেকে মিসকীন, ইয়াতীম ও মুসাফিরকে দান করে অথবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেরূপ বলেছেন, আর যে ব্যক্তি এই সম্পদ অন্যায়ভাবে উপার্জন করে, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে খেতে থাকে এবং তার পেট ভরে না। ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) দিবসে ঐ সম্পদ তার বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবে।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: স্বামী ও পোষ্য ইয়াতীমকে যাকাত দেয়া। | বর্ণনাকারী: যায়নাব (রাযি.)
হাদিস নং (১৪৬৬): আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ)-এর স্ত্রী যায়নাব (রাযি.) হতে বর্ণিত; [রাবী আ‘মাশ (রহ.) বলেন,] আমি ইবরাহীম (রহ.)-এর সাথে এ হাদীসের আলোচনা করলে তিনি আবূ ‘উবায়দাহ সূত্রে ‘আমর ইবনু হারিস (রাঃ)-এর মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর স্ত্রী যায়নাব (রাযি.) হতে হুবহু বর্ণনা করেন। তিনি [যায়নাব (রাযি.)] বলেন, আমি মসজিদে ছিলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দেখলাম তিনি বলছেনঃ তোমরা সাদাকা দাও যদিও তোমাদের অলংকার হতে হয়। যায়নাব (রাযি.) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) ও তাঁর পোষ্য ইয়াতীমের প্রতি খরচ করতেন। তখন তিনি ‘আবদুল্লাহকে বললেন, তুমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জেনে এসো যে, তোমার প্রতি এবং আমার পোষ্য ইয়াতীমদের প্রতি খরচ করলে আমার পক্ষ হতে সাদাকা আদায় হবে কি? তিনি [ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)] বললেন, বরং তুমিই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে জেনে এসো। এরপর আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট গেলাম। তাঁর দরজায় আরো একজন আনসারী মহিলাকে দেখলাম, তার প্রয়োজনও আমার প্রয়োজনের অনুরূপ। তখন বিলাল (রাঃ)-কে আমাদের পাশ দিয়ে যেতে দেখে বললাম, আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে জিজ্ঞেস করুন, স্বামী ও আপন (পোষ্য) ইয়াতীমের প্রতি সাদাকা করলে কি আমার পক্ষ হতে তা যথেষ্ট হবে? এবং এ কথাও বলেছিলাম যে, আমাদের কথা জানাবেন না। তিনি প্রবেশ করে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তারা কে? বিলাল (রাঃ) বললেন, যায়নাব। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, কোন্ যায়নাব? তিনি উত্তর দিলেন, ‘আবদুল্লাহর স্ত্রী। নবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাহু বললেনঃ তার জন্য দু’টি সওয়াব[1] রয়েছে, আত্মীয়কে দেয়ার সওয়াব আর সাদাকা দেয়ার সওয়াব।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: স্বামী ও পোষ্য ইয়াতীমকে যাকাত দেয়া। | বর্ণনাকারী: উম্মু সালামাহ (রাযি.)
হাদিস নং (১৪৬৭): উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! (আমার স্বামী) আবূ সালামার সন্তান, যারা আমারও সন্তান, তাদের প্রতি ব্যয় করলে আমার সওয়াব হবে কি? তিনি বললেনঃ তাদের প্রতি ব্যয় কর। তাদের প্রতি ব্যয় করার সওয়াব তুমি অবশ্যই পাবে।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: আল্লাহর বাণীঃ দাসমুক্তির জন্য, ঋণ ভারাক্রান্তদের জন্য ও আল্লাহর পথে। (আত-তাওবাহঃ ৬০) | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৬৮): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকাত দেয়ার নির্দেশ দিলে বলা হলো, ইবনু জামীল, খালিদ ইবনু ওয়ালীদ ও ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) যাকাত প্রদানে অস্বীকার করছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইবনু জামীলের যাকাত না দেয়ার কারণ এ ছাড়া কিছু নয় যে, সে দরিদ্র ছিল, পরে আল্লাহর অনুগ্রহে ও তাঁর রাসূলের বরকতে সম্পদশালী হয়েছে। আর খালিদের ব্যাপার হলো তোমরা খালিদের উপর অন্যায় করেছ, কারণ সে তার বর্ম ও অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র আল্লাহর পথে আবদ্ধ রেখেছে। আর ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) তো আল্লাহর রাসূলের চাচা। তাঁর যাকাত তাঁর জন্য সাদাকা এবং সমপরিমাণও তার জন্য সাদাকা। ইবনু আবুয্ যিনাদ (রহ.) তাঁর পিতা হতে হাদীস বর্ণনায় শু‘আইব (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। আর ইবনু ইসহাক (রহ.) আবুয্ যিনাদ (রহ.) হতে হাদীসের শেষাংশে ‘সাদাকা’ শব্দের উল্লেখ করেননি। ইবনু জুরাইজ (রহ.) বলেন, আ‘রাজ (রহ.) হতে অনুরূপ হাদীস আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: চাওয়া হতে বিরত থাকা | বর্ণনাকারী: আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৬৯): আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, কিছু সংখ্যক আনসারী সাহাবী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট কিছু চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন, পুনরায় তাঁরা চাইলে তিনি তাঁদের দিলেন। এমনকি তাঁর নিকট যা ছিল সবই শেষ হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেনঃ আমার নিকট যে মাল থাকে তা তোমাদের না দিয়ে আমার নিকট জমা রাখি না। তবে যে চাওয়া হতে বিরত থাকে, আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে রাখেন আর যে পরমুখাপেক্ষী না হয়, আল্লাহ তাকে অভাবমুক্ত রাখেন। যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তাকে সবর দান করেন। সবরের চেয়ে উত্তম ও ব্যাপক কোন নি‘আমত কাউকে দেয়া হয়নি।
অধ্যায়: যাকাত | উপ-অধ্যায়: চাওয়া হতে বিরত থাকা | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৪৭০): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার হাতে আমার জীবন, সেই সত্তার কসম! তোমাদের মধ্যে কারো রশি নিয়ে কাঠ সংগ্রহ করে পিঠে করে বয়ে আনা, কোন লোকের কাছে এসে চাওয়া অপেক্ষা অনেক ভাল, চাই সে দিক বা না দিক।