অধ্যায়: জানাযা |
উপ-অধ্যায়: নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর ক্ববর সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ (রাযি.)
হাদিস নং (১৩৯১):
আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে অসিয়্যত করেছিলেন, আমাকে তাঁদের (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর দু’ সাহাবী) পাশে দাফন করবে না। বরং আমাকে আমার সঙ্গিনীদের সাথে বাকী‘তে দাফন করবে যাতে আমি চিরকালের জন্য প্রশংসিত হতে না থাকি।
|
অধ্যায়: জানাযা |
উপ-অধ্যায়: নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর ক্ববর সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে। |
বর্ণনাকারী: আমর ইবনু মায়মুন আওদী (রহ.)
হাদিস নং (১৩৯২):
আমর ইবনু মায়মুন আওদী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ’উমার (রাঃ)-কে দেখলাম তিনি নিজের ছেলে ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-কে ডেকে বললেন, তুমি উম্মুল মু’মিনীন ’আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর নিকট গিয়ে বল, ’উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আপনাকে সালাম বলেছেন। অতঃপর আমাকে আমার দু’জন সাথী (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর)-এর পাশে দাফন করতে তিনি রাযী আছেন কি না? ’আয়িশাহ্ (রাযি.) বললেন, আমি পূর্ব হতেই নিজের জন্য এর আশা পোষণ করতাম, কিন্তু আজ ’উমার (রাঃ)-কে নিজের উপর অগ্রাধিকার দিচ্ছি। ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) ফিরে এলে ’উমার (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কি বার্তা নিয়ে এলে? তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! তিনি [আয়িশা (রাযি.)] আপনাকে অনুমতি দিয়েছেন। ’উমার (রাঃ) বললেন, সেখানে শয্যা লাভই ছিল আমার নিকট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমার মৃত্যুর পর আমাকে বহন করে [আয়িশাহ (রাযি.)-এর নিকট উপস্থিত করে] তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে, ’উমার ইবনু খাত্তাব (পুনরায়) আপনার অনুমতি চাইছেন। তিনি অনুমতি দিলে, আমাকে সেখানে দাফন করবে। অন্যথায় আমাকে মুসলিমদের কবরস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে।[1] অতঃপর ’উমার (রাঃ) বলেন, এ কয়েকজন ব্যক্তি যাঁদের উপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু পর্যন্ত সন্তুষ্ট ছিলেন, তাঁদের অপেক্ষা অন্য কাউকে আমি এ খিলাফতের (দায়িত্ব পালনে) অধিক যোগ্য বলে মনে করি না। তাই আমার পর তাঁরা (তাঁদের মধ্য হতে) যাঁকে খালীফা মনোনীত করবেন তিনি খালীফা হবেন।
তোমরা সকলেই তাঁর আদেশ মেনে চলবে, তাঁর আনুগত্য করবে। এ বলে তিনি ’উসমান, ’আলী, তালহা, যুবাইর, ’আবদুর রাহমান ইবনু আওফ ও সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করলেন। এ সময়ে এক আনসারী যুবক ’উমার (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আমীরুল মু’মিনীন! আল্লাহ্ প্রদত্ত সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আপনি ইসলামের ছায়াতলে দীর্ঘদিন অতিবাহিত করার সৌভাগ্য লাভ করেছেন যা আপনিও জানেন। অতঃপর আপনাকে খলীফা নিযুক্ত করা হয় এবং আপনি ন্যায়বিচার করেছেন। সর্বোপরি আপনি শাহাদাত লাভ করছেন। ’উমার (রাঃ) বললেন, হে ভাতিজা! যদি তা আমার জন্য লাভ লোকসানের না হয়ে বরাবর হয়, তবে কতই না ভাল হবে। (তিনি বললেন) আমার পরবর্তী খলীফাকে ওয়াসিয়্যাত করে যাচ্ছি, তিনি যেন প্রথম দিকের মুহাজিরদের ব্যাপারে যত্নবান হন, তাঁদের হক আদায় করে চলেন, যেন তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেন। আমি তাঁকে আনসারদের সাথেও সদাচারের উপদেশ দেই, যারা ঈমান ও মাদ্বীনাকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন, যেন তাঁদের মধ্যকার সৎকর্মপরায়ণদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এবং তাঁদের মধ্যকার (লঘু) অপরাধীকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। সর্বশেষে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দায়িত্বভুক্ত (সর্বস্তরের মু’মিনদের সম্পর্কে) সতর্ক করে দিচ্ছি যেন মু’মিনদের সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করা হয়, তাদের রক্ষার জন্য যুদ্ধ করা হয় এবং সাধ্যের বাইরে কোন দায়িত্ব তাদের উপর অর্পণ করা না হয়।
|
অধ্যায়: জানাযা |
উপ-অধ্যায়: মৃতদের গালি দেয়া নিষেধ। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১৩৯৩):
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মৃতদের গালি দিও না। কারণ, তারা স্বীয় কর্মফল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল কুদ্দুস ও মুহাম্মাদ ইবনু আনাস (রহ.) আ‘মাশ (রহ.) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ‘আলী ইবনু জা‘দ, ইবনু আর‘আরা ও ইবনু আবূ ‘আদী (রহ.) শু‘বাহ (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় আদম (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন।
|
অধ্যায়: জানাযা |
উপ-অধ্যায়: মৃতদের দোষ-ত্রুটি আলোচনা করা। |
বর্ণনাকারী: ইবনু ’আব্বাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৩৯৪):
ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ লাহাব লানাতুল্লাহি ’আলাইহি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে লক্ষ্য করে বললো, সারা দিনের জন্য তোমার অনিষ্ট হোক! (তার এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে) নাযিল হয়ঃ (যার অর্থ) ’’আবূ লাহাবের হাত দু’টো ধ্বংস হোক এবং সেও ধ্বংস হোক’’- (আল-মাসাদঃ ১)।
|
অধ্যায়: যাকাত |
উপ-অধ্যায়: যাকাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে । |
বর্ণনাকারী: ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৩৯৫):
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মু‘আয (রাঃ)-কে ইয়ামান দেশে (শাসক হিসেবে) প্রেরণ করেন। অতঃপর বললেন, সেখানকার অধিবাসীদেরকে এ সাক্ষ্য দানের প্রতি আহবান করবে যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল। যদি তারা তা মেনে নেয় তবে তাদেরকে অবগত কর যে, আল্লাহ তা‘আলা তাদের উপর প্রতি দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরজ করেছেন। যদি সেটাও তারা মেনে নেয় তবে তাদেরকে অবগত কর যে, আল্লাহ তা‘আলা তাদের উপর তাদের সম্পদের মধ্য থেকে সাদাকা (যাকাত) ফরজ করেছেন। যেটা ধনীদের নিকট থেকে গৃহীত হবে আর দরিদ্রদের মাঝে প্রদান করা হবে।
|
অধ্যায়: যাকাত |
উপ-অধ্যায়: যাকাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে । |
বর্ণনাকারী: আবূ আইয়ূব (রাঃ)
হাদিস নং (১৩৯৬):
আবূ আইয়ূব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেনঃ আমাকে এমন একটি ‘আমলের কথা বলুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার কী হয়েছে! তার কী হয়েছে! এবং বললেনঃ তার দরকার রয়েছে তো। তুমি আল্লাহর ‘ইবাদাত করবে, তাঁর সঙ্গে অপর কোন কিছুকে শরীক করবে না। সালাত আদায় করবে, যাকাত আদায় করবে, আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখবে।
وَقَالَ بَهْزٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ وَأَبُوهُ عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ اللهِ أَنَّهُمَا سَمِعَا مُوسَى بْنَ طَلْحَةَ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ عَنْ النَّبِيِّ بِهَذَا قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ أَخْشَى أَنْ يَكُونَ مُحَمَّدٌ غَيْرَ مَحْفُوظٍ إِنَّمَا هُوَ عَمْرٌو
আর বাহ্য শু‘বা (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, মুহাম্মদ ইবনু ‘উসমান ও তাঁর পিতা ‘উসমান ইবনু ‘আবদুল্লাহ হতে তারা উভয়ে মূসা ইবনু তালহা (রাঃ)-কে আবূ আইউব (রাঃ)-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি অনুরূপভাবে বর্ণনা করতে শুনেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী (রহ.) বলেনঃ (শু‘বাহ্ রাবীর নাম বলতে ভুল করেছেন) আমার আশংকা হয় যে, মুহাম্মদ ইবনু ‘উসমান-এর উল্লেখ সঠিক নয়, বরং রাবীর নাম এখানে ‘আমর ইবনু ‘উসমান হবে।
|
অধ্যায়: যাকাত |
উপ-অধ্যায়: যাকাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে । |
বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৩৯৭):
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক বেদুইন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বলল, আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলুন যদি আমি তা সম্পাদন করি তবে জান্নাতে প্রবেশ করবো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহর ‘ইবাদাত করবে আর তার সাথে অপর কোন কিছু শরীক করবে না। ফরয সালাত আদায় করবে, ফরয যাকাত প্রদান করবে, রমাযান মাসে সিয়াম পালন করবে। সে বলল, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তার শপথ করে বলছি, আমি এর চেয়ে বেশী করবো না। যখন সে ফিরে গেল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন জান্নাতী ব্যক্তিকে দেখতে পছন্দ করে সে যেন এই ব্যক্তিকে দেখে নেয়।
আবূ যুর‘আ (রহ.)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
|
অধ্যায়: যাকাত |
উপ-অধ্যায়: যাকাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে । |
বর্ণনাকারী: ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৩৯৮):
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকটে হাযির হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা রাবী‘আ গোত্রের লোক, আমাদের ও আপনার (মদ্বীনার) মধ্যে মুযার গোত্রের কাফিররা বাধা হয়ে রয়েছে। আমরা আপনার কাছে কেবল নিষিদ্ধ মাস (যুদ্ধ বিরতির মাস) ব্যতীত নির্বিঘ্নে আসতে পারি না। কাজেই এমন কিছু ‘আমলের আদেশ করুন যা আমরা আপনার কাছ থেকে শিখে (আমাদের গোত্রের) অনুপস্থিতদেরকে সেদিকে আহবান করতে পারি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদেরকে চারটি বিষয়ের আদেশ করছি ও চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করছি। (পালনীয় বিষয়গুলো হলোঃ) আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা তথা সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই। (রাবী বলেন) এ কথা বলার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একক নির্দেশক) তাঁর হাতের অঙ্গুলি বন্ধ করেন, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা ও তোমরা গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ আদায় করবে। আর আমি তোমাদেরকে নিষেধ করছি الدُّبَاءِ শুষ্ক কদুর খোলস, الحََنْتَمِ সবুজ রং প্রলেপযুক্ত পাত্র, النَّقِيْرِ খেজুর কান্ড নির্মিত পাত্র, المُزَفَّتُ তৈলজ পদার্থ প্রলেপযুক্ত মাটির পাত্র ব্যবহার করতে। সুলায়মান ও আবূ নু‘মান (রহ.) হাম্মাদ (রহ.) থেকে বর্ণিত হাদীসে ঈমান বিল্লাহ অর্থাৎ شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ (আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই একথার সাক্ষ্য দেয়া) এরূপ বর্ণনা করেছেন শ্ছব্জশ্ছ (ব্যতীত)।
|
অধ্যায়: যাকাত |
উপ-অধ্যায়: যাকাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে । |
বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৩৯৯):
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মৃত্যুর পর আবূ বকর (রাঃ)-এর খিলাফতের সময় আরবের কিছু লোক মুরতাদ হয়ে যায়। তখন ‘উমার (রাঃ) [আবূ বকর (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে] বললেন, আপনি (সে সব) লোকদের বিরুদ্ধে কিভাবে যুদ্ধ করবেন (যারা সম্পূর্ণ ধর্ম পরিত্যাগ করেনি বরং যাকাত দিতে অস্বীকার করেছে মাত্র)? অথচ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ বলার পূর্ব পর্যন্ত মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ আমাকে দেয়া হয়েছে, যে কেউ তা বললো, সে তার সম্পদ ও জীবন আমার পক্ষ থেকে নিরাপদ করে নিলো। তবে ইসলামের বিধান লঙ্ঘন করলে (শাস্তি দেয়া যাবে), আর তার অন্তরের গভীর (হৃদয়াভ্যন্তরে কুফরী বা পাপ লুকানো থাকলে এর) হিসাব-নিকাশ আল্লাহর যিম্মায়।
|
অধ্যায়: যাকাত |
উপ-অধ্যায়: যাকাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে । |
বর্ণনাকারী: আবূ বকর (রাঃ)
হাদিস নং (১৪০০):
আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর শপথ! তাদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই আমি যুদ্ধ করবো যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, কেননা যাকাত হল সম্পদের উপর আরোপিত হাক্ব। আল্লাহর কসম। যদি তারা একটি মেষ শাবক যাকাত দিতেও অস্বীকৃতি জানায় যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে তারা দিত, তাহলে যাকাত না দেয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আমি অবশ্যই যুদ্ধ করবো। ‘উমার (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহর কসম, আল্লাহ আবূ বকর (রাঃ)-এর হৃদয় বিশেষ জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত করেছেন বিধায় তাঁর এ দৃঢ়তা, এতে আমি বুঝতে পারলাম তাঁর সিদ্ধান্তই যথার্থ।
|