তাওহীদ পাবলিকেশন

বুখারী শরীফ

হাদিস সমূহ
বর্ণনাকারী: সবগুলো
হাদিস সংখ্যা: ৩৩৬৫
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: জানাযার সালাতে পুরুষদের সঙ্গে বালকদের কাতার। | বর্ণনাকারী: ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৩২১): ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক (ব্যক্তির) কবরের পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন, যাকে রাতের বেলা দাফন করা হয়েছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, একে কখন দাফন করা হল? সাহাবীগণ বললেন, গত রাতে। তিনি বললেনঃ তোমরা আমাকে জানালে না কেন? তাঁরা বললেন, আমরা তাঁকে রাতের আঁধারে দাফন করেছিলাম, তাই আপনাকে জাগানো পছন্দ করিনি। তখন তিনি (সেখানে) দাঁড়িয়ে গেলেন। আমরাও তাঁর পিছনে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমিও তাঁদের মধ্যে ছিলাম। তিনি তাঁর জানাযার সালাত আদায় করলেন।
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: জানাযার সালাতের নিয়ম। | বর্ণনাকারী: শা‘বী (রহ.)
হাদিস নং (১৩২২): শা‘বী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন এক সাহাবী আমাকে খবর দিয়েছেন, যিনি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে একটি পৃথক কবরের পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) ইমামত করলেন, আমরা তাঁর পিছনে কাতারবন্দী [1] হলাম এবং সালাত আদায় করলাম। [শাইবানী (রহ.) বলেন,] আমরা (শা‘বীকে) জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ ‘আমর! আপনাকে এ হাদীস কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)।
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: জানাযার পিছনে পিছনে যাবার ফযীলত। | বর্ণনাকারী: নাফি‘ (রহ.)
হাদিস নং (১৩২৩): নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করা হল যে, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলে থাকেন, যিনি জানাযার পশ্চাদে গমন করবেন তিনি এক কীরাত সাওয়াবের অধিকারী হবেন। তিনি বললেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) আমাদের বেশি বেশি হাদীস শোনান।
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: জানাযার পিছনে পিছনে যাবার ফযীলত। | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১৩২৪): তবে ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) এ বিষয়ে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-কে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমিও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এ হাদীস বলতে শুনেছি। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তা হলে তো আমরা অনেক কীরাত (সাওয়াব) হারিয়ে ফেলেছি। فَرَّطْتُ এর অর্থ আল্লাহ্‌র আদেশ খুইয়েছি।
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা। | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৩২৫): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মৃতের জন্য সালাত আদায় করা পর্যন্ত জানাযায় উপস্থিত থাকবে, তার জন্য এক কীরাত, আর যে ব্যক্তি মৃতের দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকবে তার জন্য দু’ কীরাত। জিজ্ঞেস করা হল দু’ কীরাত কী? তিনি বললেন, দু’টি বিশাল পর্বত সমতুল্য (সাওয়াব)।
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: জানাযার সালাতে বয়স্কদের সঙ্গে বালকদেরও অংশগ্রহণ করা। | বর্ণনাকারী: ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
হাদিস নং (১৩২৬): ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কবরের নিকট আসলেন। সাহাবাগণ বললেন, একে গত রাতে দাফন করা হয়েছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তখন আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর পিছনে কাতারবন্দী হলাম। অতঃপর তিনি তার জানাযার
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: মুসল্লা (ঈদগাহ বা নির্ধারিত স্থানে) এবং মসজিদে জানাযার সালাত আদায় করা। | বর্ণনাকারী: আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৩২৭): আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজাশীর মৃত্যুর দিনই আমাদের তাঁর মৃত্যু খবর জানান এবং ইরশাদ করেনঃ তোমরা তোমাদের ভাই-এর (নাজাশীর) জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর। [1]
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: মুসল্লা (ঈদগাহ বা নির্ধারিত স্থানে) এবং মসজিদে জানাযার সালাত আদায় করা। | বর্ণনাকারী: আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হাদিস নং (১৩২৮): আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের নিয়ে মুসাল্লায় কাতার করলেন, অতঃপর চার তাকবীর আদায় করলেন।
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: মুসল্লা (ঈদগাহ বা নির্ধারিত স্থানে) এবং মসজিদে জানাযার সালাত আদায় করা। | বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
হাদিস নং (১৩২৯): ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট ইয়াহূদীরা তাদের এক পুরুষ ও এক স্ত্রীলোককে হাযির করল, যারা ব্যাভিচার করেছিল। তখন তিনি তাদের উভয়কে রজমের (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) নির্দেশ দেন। মসজিদের পাশে জানাযার স্থানের নিকটে তাদের
অধ্যায়: জানাযা | উপ-অধ্যায়: ক্ববরের উপরে মাসজিদ বানানো ঘৃণিত কাজ। | বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১৩৩০): আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যে রোগে মৃত্যু হয়েছিল, সে রোগাবস্থায় তিনি বলেছিলেনঃ ইয়াহূদী ও নাসারা সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহ্‌র অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের (নবীদের) কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) বলেন, সে আশঙ্কা না থাকলে তাঁর (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর) কবরকে উন্মুক্ত রাখা হত, কিন্তু আমি আশঙ্কা করি যে, (উন্মুক্ত রাখা হলে) একে মসজিদে পরিণত করা হবে।