অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: যে ব্যক্তি রাত জেগে সালাত আদায় করে তাঁর ফযীলত। |
বর্ণনাকারী: হাফসাহ (রাযি.)
হাদিস নং (১১৫৭):
ম্মুল মু’মিনীন) হাফসাহ (রাযি.) আমার স্বপ্নদ্বয়ের একটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ ‘আব্দুল্লাহ্ কত ভাল লোক! যদি সে রাতের সালাত (তাহাজ্জুদ) আদায় করত। তারপর হতে ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) রাতের এক অংশে সালাত আদায় করতেন।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: যে ব্যক্তি রাত জেগে সালাত আদায় করে তাঁর ফযীলত। |
বর্ণনাকারী: হাফসাহ (রাঃ)
হাদিস নং (১১৫৮):
সাহাবীগণ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট (তাঁদের দেখা) স্বপ্নের বর্ণনা দিলেন। লাইলাতুল কদর রমাযানের শেষ দশকের সপ্তম রাতে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি মনে করি যে, (লাইলাতুল কদর শেষ দশকে হবার ব্যাপারে) তোমাদের স্বপ্নগুলোর মধ্যে পরস্পর মিল রয়েছে। কাজেই যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান করতে চায় সে যেন তা শেষ দশকে অনুসন্ধান করে।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: দু’ রাক‘আত ফজরের (সুন্নাত) অব্যাহতভাবে আদায় করা। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১১৫৯):
আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ইশার সালাত আদায় করলেন, অতঃপর আট রাক‘আত সালাত আদায় করেন এবং দু’রাক‘আত আদায় করেন বসে। আর দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেন আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)-এর মাঝে। এ দু’রাক‘আত তিনি কখনো পরিত্যাগ করতেন না।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: ফজরের দু’ রাক‘আত সুন্নাতের পর ডান কাতে শোয়া। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১১৬০):
আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দু’রাক‘আত সালাত আদায় করার পর ডান কাতে শয়ন করতেন।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: দু’রাক‘আত (ফজরের সুন্নাত) এরপর কথাবার্তা বলা এবং নিদ্রা না যাওয়া। |
বর্ণনাকারী: আয়িশাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১১৬১):
আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ফজরের সুন্নাত) সালাত আদায় করার পর আমি জেগে থাকলে, তিনি আমার সাথে কথাবার্তা বলতেন, নতুবা সালাতের সময় হওয়া সম্পর্কে অবগত করানো পর্যন্ত শুয়ে থাকতেন।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: নফল সালাত দু’ দু’ রাক‘আত করে আদায় করা। |
বর্ণনাকারী: জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১১৬২):
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সব কাজে ইস্তিখারাহ্* শিক্ষা দিতেন। যেমন পবিত্র কুরআনের সূরাহ্ আমাদের শিখাতেন। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করলে সে যেন ফরজ নয় এমন দু’রাক‘আত সালাত আদায় করার পর এ দু’আ পড়েঃ ‘‘প্রভু হে! আমি তোমার জ্ঞানের ওয়াসিলাহ্তে তোমার অনুমতি কামনা করছি; তোমার কুদরতের ওয়াসিলায় শক্তি চাচ্ছি আর তোমার অপার করুণা ভিক্ষা করছি। কারণ তুমিই সর্বশক্তিমান আর আমি দুর্বল। তুমিই জ্ঞানী আর আমি অজ্ঞ এবং তুমিই সর্বজ্ঞ। প্রভু হে! তুমি যদি মনে কর যে, এই জিনিসটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ায়, ইহকালে ও পরকালে সত্বর কিংবা বিলম্বে আমার পক্ষে মঙ্গলজনক হবে তা হলে আমার জন্য তা নির্ধারিত করে দাও এবং তার প্রাপ্তি আমার জন্য সহজতর করে দাও। অতঃপর তুমি তাতে বারাকাত দাও। আর যদি তুমি মনে কর এই জিনিসটি আমার দ্বীন ও দুনিয়ায় ইহকালে ও পরকালে আমার জন্য ক্ষতিকর হবে শীঘ্র কিংবা বিলম্বে তাহলে তুমি তাকে আমা হতে দূর করে দাও এবং আমাকে তা হতে দূরে রাখো; অতঃপর তুমি আমার জন্য যা মঙ্গলজনক তা ব্যবস্থা কর- সেটা যেখান থেকেই হোক না কেন এবং আমাকে তার প্রতি সন্তুষ্টচিত্ত করে তোল।’’
তিনি ইরশাদ করেন هَذَا الْأَمْرَ তার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করবে।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: নফল সালাত দু’ দু’ রাক‘আত করে আদায় করা। |
বর্ণনাকারী: আবূ কাতাদাহ ইবনু রিব’আ আনসারী (রাযি.)
হাদিস নং (১১৬৩):
আবূ কাতাদাহ ইবনু রিব’আ আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে দু’ রাক‘আত সালাত (তাহিয়্যাতুল-মাসজিদ) আদায় করার পূর্বে বসবে না।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: নফল সালাত দু’ দু’ রাক‘আত করে আদায় করা। |
বর্ণনাকারী: আনাস ইব্নু মালিক (রাযি.)
হাদিস নং (১১৬৪):
আনাস ইব্নু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন, তারপর চলে গেলেন।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: নফল সালাত দু’ দু’ রাক‘আত করে আদায় করা। |
বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.)
হাদিস নং (১১৬৫):
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে যুহরের পূর্বে দু’রাক‘আত, যুহরের পরে দু’রাক‘আত, জুমু‘আর পরে দু’রাক‘আত, মাগরিবের পরে দু’রাক‘আত এবং ‘ইশার পরে দু’রাক‘আত (সুন্নাত) সালাত আদায় করেছি।
|
অধ্যায়: তাহাজ্জুদ |
উপ-অধ্যায়: নফল সালাত দু’ দু’ রাক‘আত করে আদায় করা। |
বর্ণনাকারী: জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.)
হাদিস নং (১১৬৬):
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর খুৎবাহ প্রদানকালে ইরশাদ করলেনঃ তোমরা কেউ এমন সময় মসজিদে উপস্থিত হলে, যখন ইমাম (জুমু‘আহর) খুৎবা দিচ্ছেন, কিংবা মিম্বরে আরোহণের জন্য (হুজরাহ হতে) বেরিয়ে পড়েছেন, তাহলে সে তখন যেন দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে নেয়।
|